kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাফল্য

ফিরে আসছে রানি মাছ

নিয়ামুল কবীর সজল, ময়মনসিংহ   

২৩ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফিরে আসছে রানি মাছ

কালো আর হলদে রঙের ডোরাকাটা দাগের রানি মাছ আজকাল আর বাজারে দেখা যায় না। দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুণসম্পন্ন। বাঙালির কাছে এ মাছটি বহুকাল ধরেই প্রিয়। কিন্তু সময়ের হাত ধরে এ মাছটিও বিলুপ্তির তালিকায় চলে গেছে। তবে আশার কথা হলো এ মাছটি আবার ফিরে আসছে। আর এটি সম্ভব হবে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে রানি মাছের প্রজনন ও পোনা উৎপাদন কৌশল উদ্ভাবন হওয়ায়। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এ সাফল্য পেয়েছেন। প্রজনন কৌশল উদ্ভাবনের ফলে রানি মাছকে চাষের আওতায় আনা যাবে। ইনস্টিটিউটের ময়মনসিংহস্থ স্বাদু পানি কেন্দ্রে এ সফলতা অর্জিত হয়েছে। গবেষকদলে ছিলেন ড. সেলিনা ইয়াছমিন, মো. রবিউল আওয়াল, ড. এ এইচ এম কোহিনুর ও ড. মো. শাহা আলী।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, স্বাদু পানির বিলুপ্তপ্রায় ছোট মাছের মধ্যে রানি মাছ অন্যতম। এ মাছটি বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, ভুটান ও মিয়ানমারে পাওয়া যায়। রানি বা বউ নামে পরিচিত হলেও অঞ্চলভেদে এ মাছটিকে বেটি, পুতুল ও বেতাঙ্গী নামেও ডাকা হয়। এ মাছের দুটি প্রজাতি রয়েছে। একসময় বাংলাদেশের খাল-বিল, নদ-নদী, হাওর-বাঁওড় ও প্লাবনভূমিতে এই মাছ প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যেত। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, জলাশয় সংকোচন, পানিদূষণ এবং অতি আহরণের ফলে মাছটির বিচরণ ও প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস হওয়ায় এর প্রাপ্যতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, বিপন্নের তালিকায় দেশীয় প্রজাতির সব মাছকে পর্যায়ক্রমে পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। এর আওতায় চলতি বছরে ইনস্টিটিউট হতে ১০টি বিপন্ন প্রজাতির মাছের প্রজনন কৌশল উদ্ভাবনের গবেষণা চলমান রয়েছে।