kalerkantho

মঙ্গলবার । ৮ আষাঢ় ১৪২৮। ২২ জুন ২০২১। ১০ জিলকদ ১৪৪২

বেকারত্ব ঘোচাবে অ্যাপস

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বেকারত্ব ঘোচাবে অ্যাপস

ডিমা অ্যাপসের উদ্ভাবক ইমতিয়াজ উদ্দীন আজাদ

রাইড শেয়ারিং এবং ফুড শেয়ারিং অ্যাপসগুলোর পাশাপাশি এবার আসছে বিজনেস শেয়ারিং অ্যাপস ডিমা বা ডিজিটাল মা। উদ্যোক্তা হয়ে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার বিষয়ে তরুণদের উৎসাহিত করতেই এই অ্যাপস। অ্যাপসটির মাধ্যমে একদিকে যেমন দেশে শিল্পায়ন হবে, অন্যদিকে তৈরি হবে হাজার হাজার তরুণের কর্মসংস্থানও। এভাবেই দেশের বেকারত্ব ঘোচাবে এই মোবাইল অ্যাপস ডিমা। অ্যাপসটি সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন এই অ্যাপসের উদ্ভাবক ইমতিয়াজ উদ্দীন আজাদ। পেশায় তিনি একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। আজাদ প্রায় দুই বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন উদ্ভাবনের পেছনে। এই অ্যাপসটি তরুণদের আশার প্রদীপ হয়ে উঠবে  বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রকৌশলী আজাদ।

মোবাইল অ্যাপসটি দেবে বহুমুখী সেবা ও নানা সমস্যার সমাধান। আর ঠিক নামকরণও হয়েছে এ কারণেই ডিমা বা ডিজিটাল মা, যার ভূমিকাও হবে মায়ের মতোই। অন্যান্য অ্যাপসের মতো সহজেই ব্যবহার করা যাবে এই অ্যাপস। ডিমার উদ্দেশ্য ক্ষুদ্র বিনিয়োগের মাধ্যমে সম্মিলিত উদ্যোগে ব্যাপক শিল্প, কলকারখানা গড়ে তোলার ব্যবস্থা করা এবং বেকারত্ব দূরীকরণে কাজ করা। লেনদেন ও ধারদেনা নেওয়া-দেওয়ার ব্যবস্থাকে ঝুঁকিমুক্ত করা।

ব্যবহারকারীদের যে কেউ ডিমা অ্যাপসে তাঁদের ভালো একটি বিজনেস আইডিয়া শেয়ার করতে পারবেন। যেমন—এলাকায় একটি কারখানা দিলে খুব ভালো চলবে, এর জন্য খরচ হতে পারে ৫০ লাখ টাকা। অথচ আপনার পকেটে আছে মাত্র ১০ হাজার টাকা। আপনার এলাকা এবং এর আশপাশের সবার কাছে অ্যাপসের মাধ্যমে বিষয়টির একটি নোটিফিকেশন মোবাইলে যাবে। যাঁদের এই কারখানা তৈরিতে আগ্রহ থাকবে, তাঁরা অ্যাপসের মাধ্যমে তাঁদের আগ্রহ প্রকাশ করবেন এবং কত টাকা বিনিয়োগ করতে পারবেন, তা উল্লেখ করবেন। যেমন—কেউ ১০ হাজার, কেউ ৫০ হাজার, কেউ এক লাখ বা দুই লাখ টাকা। এভাবে ৫০ লাখ টাকা হয়ে গেলে ডিমা কর্তৃপক্ষ সবাইকে ডেকে অর্থ সংগ্রহ করে কারখানাটি তৈরি করে দেবে এবং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কারখানাটি পরিচালনা করবে ডিমা কর্তৃপক্ষ। এতে যে কেউ সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে একটি কারখানার মালিক হয়ে যেতে পারেন। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ডিমা অ্যাপসের মাধ্যমে একদিকে প্রচুর পরিমাণে বিজনেস আইডিয়া আসতে থাকবে আর অন্যদিকে সেগুলো তৈরি হতে থাকবে। এখানে বিজনেস আইডিয়া হিসেবে ক্ষুদ্র মুদির দোকান থেকে শুরু করে বৃহৎ কলকারখানা, ইন্ডাস্ট্রি পর্যন্ত হতে পারে। এভাবে ব্যাপক কলকারখানা প্রতিষ্ঠিত হতে থাকলে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হবে। এভাবেই একদিকে বেকারদের একটি অংশ হয়ে উঠবে শিল্পোদ্যোক্তা আবার আরেকটি অংশ পেয়ে যাবে কর্মসংস্থান।

আস্থা ও বিশ্বাস তৈরিতে ব্যাবসায়িক লেনদেনের এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে এই ডিমার মাধ্যমে। পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে ডিমার মাধ্যমে লেনদেন হওয়ায় ব্যাবসায়িক বাকি ওঠানো নিয়েও ব্যবসায়ীদের কোনো রকম ঝামেলা পোহাতে হবে না।