kalerkantho

রবিবার । ৬ আষাঢ় ১৪২৮। ২০ জুন ২০২১। ৮ জিলকদ ১৪৪২

করোনায় ও মেগাপ্রকল্পে পর্যাপ্ত বরাদ্দ থাকছে

আগামী অর্থবছরের খসড়া এডিপি ২ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনা পরিস্থিতিকে সামনে রেখে স্বাস্থ্য খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে আগামী অর্থবছরের (২০২১-২০২২) খসড়া বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) নির্ধারণ করেছে সরকার। এর আকার দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ২৫ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ৯ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরে এডিপির আকার ছিল দুই লাখ পাঁচ হাজার ১৪৫ কোটি টাকার। পরিস্থিতি ঠিক থাকলে ঈদের পর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় খসড়া এডিপি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের খসড়া এডিপিতে খাতভিত্তিক সবচেয়ে বেশি বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগে ৩৪ হাজার কোটি টাকা। এর পরে রয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগে ২৮ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ সাড়ে ২৫ হাজার কোটি টাকা। রেলে ১৩ হাজার ৬২০ কোটি টাকা। এ ছাড়া আগামী অর্থবছরের এডিপিতে মোট এক হাজার ৫১৫টি নতুন প্রকল্প যুক্ত হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে বিনিয়োগ প্রকল্প এক হাজার ৩০৮টি, কারিগরি সহায়তার প্রকল্প ১১৮টি এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে এমন প্রকল্প থাকছে ৮৯টি। এ ছাড়া আগামী অর্থবছরের এডিপিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি বা পিপিপিতে ৮৮টি প্রকল্প রাখা হচ্ছে।

করোনা মহামারির মধ্যেও মেগাপ্রকল্পে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুনের মধ্যে পদ্মা সেতু চালু করতে আগামী অর্থবছরের বাজেটে এ প্রকল্পের জন্য সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হচ্ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্রের জন্য ১৮ হাজার ৪২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকছে। মেট্রোরেল প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নতুন অর্থবছর বরাদ্দ রাখা হচ্ছে চার হাজার ৮০৭ কোটি টাকা। এ ছাড়া মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে চার হাজার ৮০০ কোটি টাকা, পদ্মা রেলসংযোগ প্রকল্পে তিন হাজার ৫৮৭ কোটি টাকা, দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পে এক হাজার ৪২৫ কোটি টাকা, পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল নির্মাণে এক হাজার ৩৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকছে খসড়া বাজেটে।