kalerkantho

রবিবার । ৬ আষাঢ় ১৪২৮। ২০ জুন ২০২১। ৮ জিলকদ ১৪৪২

জুতা বিক্রি ভালো, ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আশা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জুতা বিক্রি ভালো, ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আশা

ঈদ মানেই আনন্দ। আর এই আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয় নতুন জামা-কাপড়, জুতা- স্যান্ডেল। গত বছর ঈদুল ফিতর করোনা মহামারির লকডাউনে গেলেও এবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। গত ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া লকডাউন বা কঠোর বিধি-নিষেধের মধ্যে গত ২৫ এপ্রিল দোকানপাট ও শপিং মল খোলার সুযোগ দেয় সরকার। এতে ঈদবাজার কিছুটা সরগরম হতে শুরু করে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, জামা-কাপড়ের পাশাপাশি মানুষ পছন্দসই জুতাও নিচ্ছেন। যেহেতু আগের বছরের মতো পরিস্থিতি নেই সেহেতু আশা করছি বেচাকেনা আরো বাড়বে। যদিও তা কোনোভাবেই ২০১৯ সালের মতো হবে না।

ব্যবসায়ীদের মতে, দেশে বছরে মোট জুতা বেচাকেনার ৩৫-৪০ শতাংশ হয় পহেলা বৈশাখ ও ঈদে। যার কারণে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বাড়তি উৎপাদন করে কম্পানিগুলো। কিন্তু গত বছর থেকে করোনার হানায় সব কিছু পাল্টে গেছে। কিন্তু এ বছর পরিস্থিতির বেশ উন্নয়ন ঘটেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে সামনের দিনগুলোতে তাঁরা আরো ভালো বিক্রি করতে পারবেন। জুতার বাজারে বিক্রির দিক দিয়ে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান বাটা জানায়, ঈদকে সামনে রেখে তাঁদের নিজস্ব ৩১৫ বিক্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৫০০ রকমের নতুন কালেকশনের জুতা-স্যান্ডেল আনা হয়েছে। জানতে চাইলে বাটার হেড অব মার্কেটিং ইফতেখার মল্লিক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের ব্যবসা গেল বছরের তুলনায় এখন পর্যন্ত ভালো তবে তা কোনোভাবেই ২০১৯ সালের মতো নয়। সে অবস্থায় পৌঁছাতে হলে আমাদের আরো অনেক সময় লাগবে। তবে মাঝখানে আমাদের ব্যবসা অত্যন্ত ভালো ছিল করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে তা আবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের দোকান খোলা রাখছি—সরকার যদি আমাদের আরেকটু সুযোগ-সুবিধা দেয়, তাহলে ঈদকে কেন্দ্র করে আমরা যে ব্যবসার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি তার ৮০ থেকে ৯০ শতাংশে আমরা পৌঁছাতে পারব।’ অ্যাপেক্স জানিয়েছে, তারা এবারের ঈদকে কেন্দ্র করে বেশি বিক্রির আশায় বাড়তি প্রস্তুতি নিয়েছে। সারা দেশে তাদের প্রতিটি শোরুমে পৌঁছে গিয়েছে নতুন নতুন কালেকশন। তারা বলছে, গত বছরের তুলনায় এ বছর বিক্রি ভালো হওয়ার সম্ভাবনা আছে।