kalerkantho

সোমবার । ৭ আষাঢ় ১৪২৮। ২১ জুন ২০২১। ৯ জিলকদ ১৪৪২

টুপির কারিগরদের ঈদ ম্লান

রবিউল আলম বিপ্লব, পীরগাছা (রংপুর)   

১১ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টুপির কারিগরদের ঈদ ম্লান

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ব্যাপক চাহিদার কারণে বাহারি নকশার কারুকার্যখচিত টুপি তৈরি করেন রংপুরের পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলার নারী শ্রমিকরা। এ কাজে গ্রামীণ হতদরিদ্র প্রায় ২৫ হাজার নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের নিপুণ হাতে তৈরি দৃষ্টিনন্দন টুপি কয়েক বছর ধরে ওমান, সৌদি আরব, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়ে আসছে। কিন্তু চলমান করোনা পরিস্থিতিতে টুপি তৈরির সঙ্গে জড়িতরা চরম বিপাকে পড়েছেন। ঈদ সামনে রেখে টুপির চাহিদা বেড়ে গেলেও রপ্তানি করতে না পারায় আর্থিক সংকটে পড়েছেন মালিক ও শ্রমিকরা। এমন পরিস্থিতিতে ফিকে হয়ে যাচ্ছে তাঁদের ঈদের আনন্দ।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী, হাসনা ও কল্যাণী ইউনিয়নের নব্দিগঞ্জ, তালুক উপাশু, বিহারী এবং কাউনিয়া উপজেলার নিজপাড়া, ঢুষমারাসহ ৫০টি গ্রামের নারীরা টুপিতে নকশার কাজ করছেন। শুধু পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলা নয়, রংপুর সদর,  ও কুড়িগ্রামের উলিপুরসহ তিস্তা নদীর কোলঘেঁষা চর এলাকার বিভিন্ন গ্রামের গৃহবধূরা টুপি বানিয়ে নিজেদের স্বাবলম্বী করেছেন। গৃহবধূদের পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও কিশোরীরাও টুপি তৈরি করছে। টুপি তৈরির আয় দিয়ে অনেক নারী সংসারের হাল ধরেছেন। কেউ বা ঘুচিয়েছেন দারিদ্র্য।

মাহমুদিয়া হস্তশিল্প টুপি (এমএইচ টুপি) কারখানার মালিক হাফেজ আবদুল আউয়াল বলেন, ‘করোনা শুরুর আগে গড়ে প্রতি মাসে এক-দেড় হাজার টুপি রপ্তানি করা হয়েছে। কিন্তু চলমান করোনার প্রাদুর্ভাবে রপ্তানি বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে পড়েছি। এখন শ্রমিকদের মজুরি দিতে পারছি না।’