kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১০ আষাঢ় ১৪২৮। ২৪ জুন ২০২১। ১২ জিলকদ ১৪৪২

২০ হাজার কোটি টাকা বাজেট সহায়তার আশা

সজীব হোম রায়   

৭ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



২০ হাজার কোটি টাকা বাজেট সহায়তার আশা

আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরে দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে বাজেট সহায়তা হিসেবে ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা পাওয়ার আশা করছে সরকার। বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কাছ থেকে এই অর্থ আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে বাজেটে এই খাতে সহায়তা হিসেবে প্রাক্কলন করা হয়েছিল ১৭ হাজার কোটি টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এ ব্যাপারে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে এই খাতে ৪২০ কোটি ডলার পাওয়া যাবে বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু এই অর্থের পুরোটা পাওয়া যাবে বলে মনে হচ্ছে না। তাই আগামী অর্থবছরে বাজেট সহায়তা খাতে কিছুটা কম ধরা হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে ২৪০ কোটি ডলার চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সূত্র মতে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেটের কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এতে দেখা গেছে আগামী অর্থবছরের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় ছয় লাখ এক হাজার ৫১১ কোটি টাকা বাজেট প্রাক্কলন করছে। বাজেটে মোট আয় ধরা হচ্ছে তিন লাখ ৮৯ হাজার ৭৮ কোটি টাকা। এতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে টার্গেট দেওয়া হচ্ছে তিন লাখ ৩০ হাজার ৭৮ কোটি টাকা। আয় ও ব্যয়ের বিশাল পার্থক্যের কারণে ঘাটতি দাঁড়াবে দুই লাখ ১২ হাজার ৪৩৩ কোটি টাকা। আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে অর্থায়ন করা সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় এরই মধ্যে বড় ধরনের একটি ব্যয়ের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ এক বছর ধরে চলমান রয়েছে। অন্যদিকে রাজস্ব আদায়ের ওপর একটি নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। সার্বিক দিক বিবেচনায় দাতাদের কাছ থেকে বাজেট সহায়তার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার। এ ছাড়া সরকারের কাছে অন্য কোনো বিকল্প পথও নেই। তাই দাতাদের বিশেষত বিশ্বব্যাংক ও এডিবির কাছে আগামী অর্থবছরের জন্য বাজেট সহায়তা খাতে ২৪০ কোটি ডলার চাইবে।

এরই মধ্যে গেল এপ্রিল মাসে করোনার প্রভাব মোকাবেলায় আগামী বাজেটে বিশ্বব্যাংকের কাছে জরুরি ভিত্তিতে ৫০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বাংলাদেশে মুদ্রায় যার পরিমাণ চার হাজার ২০০ কোটি টাকা। বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের ‘বসন্তকালীন সভা ২০২১’-এর এক ভার্চুয়াল সভায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী এ অনুরোধ জানান। আলোচনায় বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের প্রস্তাবগুলো ইতিবাচকভাবে দেখা হবে বলে সভায় অভিমত ব্যক্ত করেছেন।



সাতদিনের সেরা