kalerkantho

শুক্রবার । ৪ আষাঢ় ১৪২৮। ১৮ জুন ২০২১। ৬ জিলকদ ১৪৪২

ঝুঁকিপূর্ণ চট্টগ্রাম বন্দরের পাঁচ নম্বর জেটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২২ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঝুঁকিপূর্ণ চট্টগ্রাম বন্দরের পাঁচ নম্বর জেটি

চট্টগ্রাম বন্দরের ৫ নম্বর জেটিতে কয়েকটি গর্ত। ছবি : কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য ওঠানামার ৫ নম্বর জেটিতে বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সিসি ঢালাইয়ের স্ল্যাপ ভেঙে একাধিক স্থানে এই গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় জাহাজ থেকে পণ্য নামিয়ে চলাচলের সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এক সপ্তাহ আগে এই ধরনের ঝুঁকি তৈরি হলেও মেরামতের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বন্দর কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ পাওয়া গেছে, গত সপ্তাহে স্ক্র্যাপ জাহাজ থেকে পণ্য নামানোর সময় এই গর্তের সৃষ্টি হয়। কার গাফিলতিতে এমনটা হয়েছে তারও কোনো তদন্ত করেনি বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দরের পরিবহন বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এই ধরনের গর্ত প্রায়ই হয়ে থাকে। বিশেষ করে স্ক্র্যাপ পণ্যবাহী জাহাজ থেকে পণ্য নামানোর সময় অতিরিক্ত পণ্যের চাপে এমন ঘটনা ঘটে। এসব জেটি পুরনো হওয়ার কারণেই বারবার গর্তের সৃষ্টি হয়। বন্দরের প্রকৌশল বিভাগ নিয়মিতভাবেই সেগুলো মেরামত করবে।’

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান এই জেটিতে সাধারণ পণ্যবাহী জাহাজ ভেড়ানো হয়। ১৯৫৪ সালে এই জেটিগুলো নির্মিত হয়েছিল। এরপর ১৯৭৯ সালে কিছু জেটি সংস্কার করা হয়। জাহাজ থেকে জেটিতে পণ্য নামানোর সময় এই স্থানেই ট্রাক বা লরি থাকে। সেখানে বোঝাই করেই পণ্যভর্তি ট্রাক বন্দর থেকে বের হয়ে যায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানেই এই গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণত বন্দর জেটিতে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তা তদন্ত করে দোষীদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বন্দরের এই জেটিতে সেদিন পণ্য নামানোর কাজ করছিল বার্থ অপারেটর কসমস এন্টারপ্রাইজ। প্রতিষ্ঠানটির মালিক এ বি এম আশরাফ উদ্দিন বলেন, ‘এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটে বন্দর জেটিতে। একাধিক জেটিতে এমন গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে পণ্য ওঠানামার ক্ষেত্রে যেমন ঝুঁকি তৈরি করছে তেমনি বড় দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই দ্রুত মেরামত করা জরুরি।’

চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিগুলো পুরনো হয়ে যাওয়ায় এসব জেটি ভেঙে ‘আধুনিক কর্ণফুলী বাল্ক টার্মিনাল’ নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও তা এখনো আলোর মুখ দেখেনি।



সাতদিনের সেরা