kalerkantho

রবিবার। ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৬ মে ২০২১। ০৩ শাওয়াল ১৪৪২

গবেষণায় তথ্য

করোনায় ১৫ শতাংশ কমেছে মাছের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনায় ১৫ শতাংশ কমেছে মাছের দাম

করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে আসায় এবং সরবরাহব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়াসহ নানা কারণে মাছের দাম ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে বলে এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে। এ সময় মাছের খাবারের দাম বৃদ্ধিতে এ সংকট আরো ঘনীভূত করেছে বলে সমীক্ষায় বলা হয়। এ সময় ৫১ শতাংশ মাছ চাষির আয় ৫০ থেকে ৯৯ শতাংশ কমে আসে।

গতকাল বুধবার অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ‘অ্যাকুয়াকালচার সেক্টর স্টাডি বাংলাদেশ’ বিষয়ে গবেষণা সমীক্ষাটি প্রকাশ করা হয়। এ উপলক্ষে বিজনেস কনসালট্যান্ট প্রতিষ্ঠান লারিভ ইন্টারন্যাশনাল ও লাইটক্যাসল পার্টনার্স যৌথভাবে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে এই গবেষণা সমীক্ষা করা হয়।

সমীক্ষায় বলা হয়, ৬৪ শতাংশ কৃষক করোনায় যান চলাচল স্বাভাবিক না থাকায় খামারিদের মাঝে মাছের খাবার, মৎস্যজাত দ্রব্য ও পোনা সরবরাহে জটিলতা দেখা দিয়েছে, এতে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তা বাজারে কম মূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে মাছের খাবারের দামও মাত্রাতিরিক্ত বেড়েছে।

২০২০ সালের শুরু থেকে করোনার প্রভাব পড়তে শুরু করে। বছরের মাঝামাঝি সময় করোনার সংক্রমণ বেড়ে গেলে সংকট আরো ঘনীভূত হয়। ২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাসে বেশির ভাগ প্রজাতির মাছের দাম কভিড পরিস্থিতির আগের তুলনায় ৫ থেকে ১৫ শতাংশ কমে যায়। এই পরিস্থিতিতে ৩৭ শতাংশ কৃষক মনে করেন, ওই সময়টাতে তাঁদের ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ মূল আয় কমতে থাকে।  ৫১ শতাংশ কৃষক মনে করেন, এই সময়টাতে তাঁদের আয়-ব্যয় সমান্তরালে ১-৫০ শতাংশ হয়, মাত্র ১০ শতাংশ তেমন ক্ষতির সম্মুখীন হননি। অনুষ্ঠানে মূল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভারওয়েজ, নেদারলান্ডসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ। আরো বক্তব্য দেন লারিভ ইন্টারন্যাশনালের ডিরেক্টর ম্যাথিয়াস বিনেন, লাইটক্যাসল পার্টনার্সের পরিচালক জাহেদ আমিন প্রমুখ।