kalerkantho

রবিবার। ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৬ মে ২০২১। ০৩ শাওয়াল ১৪৪২

প্রবাসী আয়ে আবার রেকর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



প্রবাসী আয়ে আবার রেকর্ড

মহামারি করোনার মধ্যেই একের পর এক রেকর্ড হচ্ছে প্রবাসী আয়ে। চলতি মাসের ১৫ দিনে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে এসেছে, তা গত বছরের পুরো এপ্রিল মাসের চেয়েও বেশি। এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাসেও ২০০ কোটি ডলারের ঘর অতিক্রম করবে প্রবাসী আয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, প্রবাসীরা এপ্রিল মাসের প্রথম ১৫ দিনে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১১৫ কোটি ৩২ লাখ ৮০ হাজার ইউএস ডলার। গত বছর (২০২০ সাল) এপ্রিলের ৩০ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১০৯ কোটি ২৯ লাখ ৬০ হাজার। সেই হিসাবে ১৫ দিনেই পুরো মাসের চেয়ে ছয় কোটি তিন লাখ ডলার বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।

২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। চলতি অর্থবছরেও এই সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, নগদ প্রণোদনার জাদুতেই রেমিট্যান্সের ঊর্ধ্বগতি ধারা বজায় রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মার্চ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯১ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। এটি আগের মাস ফেব্রুয়ারির তুলনায় প্রায় ৮ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের একই মাসের চেয়ে ৫০.৪০ শতাংশ বেশি। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ১৭৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে। আর গত অর্থবছরের মার্চ মাসে মাত্র ১২৭ কোটি ৬২ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল। সব মিলে চলতি অর্থবছরের (জুলাই-মার্চ) প্রথম ৯ মাসে রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৮৬০ কোটি ৩৮ লাখ ডলার। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৮২ কোটি ৯১ লাখ ডলার বা ৩৫.০৫ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ৩৭৭ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। আর গত অর্থবছরের পুরো সময়ে এসেছিল এক হাজার ৮২০ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরো দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি মাসে ১৯৬ কোটি ২৬ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে। এটি আগের মাস ডিসেম্বরের চেয়ে ৫.৬৬ শতাংশ কম। গত ডিসেম্বর মাসে ২০৫ কোটি ছয় লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে। এ ছাড়া গত নভেম্বরে রেমিট্যান্স আসে ২০৭ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। অক্টোবরে আসে ২১০ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া সেপ্টেম্বরে একক মাস হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১৫ কোটি ১০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে। আর জুলাইতে একক মাস হিসেবে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে। ওই মাসে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলার।