kalerkantho

রবিবার । ২৬ বৈশাখ ১৪২৮। ৯ মে ২০২১। ২৬ রমজান ১৪৪২

মেডিক্যাল পণ্য উত্পাদনে সর্বোচ্চ ৫ লাখ ডলার অনুদান দেবে বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেডিক্যাল পণ্য উত্পাদনে সর্বোচ্চ ৫ লাখ ডলার অনুদান দেবে বিশ্বব্যাংক

কভিড-১৯ বিশ্বের অর্থনীতিকে দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এ সময় বিশ্বব্যাংক মেডিক্যাল পণ্য উত্পাদনে সহযোগিতা দিতে এগিয়ে এসেছে। এই অনুদানের মাধ্যমে মেডিক্যাল পণ্য উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো উত্সাহিত হবে বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

গতকাল রবিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোরজে) কর্মসূচির অংশ হিসেবে কভিড-১৯ উদ্যোক্তাবান্ধব তহবিলের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে (ভার্চুয়ালি) প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য, মেডিক্যাল সামগ্রী, পিপিই, ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিক্যাল সামগ্রী উত্পাদনকারীদের ১৭.৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে বিশ্বব্যাংক। এতে একজন উদ্যোক্তা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ ডলার অনুদান পাবেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প এবং বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেমপন। সালমান এফ রহমান বলেন, সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ রপ্তানির বৈচিত্র্য বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান তৈরি করা, যা এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। কভিড-১৯ এন্টারপ্রাইজ রেসপন্স ফান্ডের (সিইআরএফ) মাধ্যমে এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় ও বিশ্ববাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে উপকৃত হবে।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোরজে) প্রকল্পের আওতায় মেডিক্যাল অ্যান্ড পারসোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (এমপিপিই) পণ্য উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ‘কভিড-১৯ এন্টারপ্রাইজ রেসপন্স ফান্ড’-এর মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রকল্পের আওতায় ম্যাচিং গ্রান্ট প্রগ্রামের দ্য এক্সপোর্ট রেডিয়েন্স ফান্ড (ইআরএফ) হিসেবে ১৭.৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রদান করা হবে।

এমপিপিই পণ্যসামগ্রী উত্পাদনে সক্ষম প্রতিষ্ঠানগুলো এই অনুদান পাওয়ার যোগ্য হবে। এই অনুদানের পরিমাণ সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ ডলার এবং সর্বনিম্ন ৫০ হাজার ডলার। অনুদান আবেদনকারী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিভুক্ত হলে এই প্রকল্প থেকে ৬০ শতাংশ অনুদান পাবেন আর আবেদনকারীর অংশগ্রহণ থাকবে ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া বৃহৎ শিল্পের ক্ষেত্রে অনুদানের পরিমাণ হবে ৫০ শতাংশ।



সাতদিনের সেরা