kalerkantho

বুধবার । ৯ আষাঢ় ১৪২৮। ২৩ জুন ২০২১। ১১ জিলকদ ১৪৪২

বিজেএমসির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালতের সমন

পাট নিয়ে কোটি টাকার ঘাপলা

রাজবাড়ী প্রতিনিধি   

১৪ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিজেএমসির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালতের সমন

বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) আওতাভুক্ত মিলগুলোতে পাট কেনা নিয়ে কোটি কোটি টাকার ঘাপলা ও আত্মসাতের ঘটনা নতুন কিছু নয়। তবে এবারের ঘটনা একটু ব্যতিক্রম। খোদ অডিট নিরীক্ষায় উঠে এসেছে অর্থ আত্মসাতের চিত্র। আর আত্মসাৎ হওয়া ওই অর্থ ফেরত না পেয়ে মানবিক জীবন যাপন করছেন পাট প্রদানকারী ব্যবসায়ীরা। কেউ কেউ দেনার দায়ে জর্জরিত হয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছেন। এমতাবস্থায় অডিট রিপোর্টসহ পাওনা টাকার প্রমাণাদি নিয়ে দ্বারস্থ হয়েছেন আদালতের। রাজবাড়ীর যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে দায়ের করা মামলায় আদালত বিজেএমসির চেয়ারম্যানসহ ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। গত ২০ মার্চ মামলাটি করেছেন রাজবাড়ীর পাট সরবরাহকারী ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেন মনো। মামলার আসামিরা হলেন বিজেএমসির চেয়ারম্যান, ইউনাইটেড মেঘনা চাঁদপুর জুট মিলের মহাব্যবস্থাপক (প্রকল্পপ্রধান), একই জুট মিলের উপমহাব্যবস্থাপক, বিজেএমসির উপমহাব্যবস্থাপক, মহাব্যবস্থাপক (পাট) ও ইউনাইটেড জুট মিলের পাট বিভাগীয় প্রধান।

মামলায় বলা হয়েছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সরকারি বিজেএমসির আওতাধীন জুটমিল ইউএমসি, করিম ও লতিফ বাওয়ানীসহ বিভিন্ন জুটমিলে বিক্রীত পাটের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে অডিট অধিদপ্তর অতিসত্বর পাওনাদারদের অর্থ বণ্টনের ব্যবস্থা করতে নির্দেশনাও দিয়েছে। ২০১৭-১৮ অডিট অধিদপ্তরের পর্যালোচনায় বিজেএমসির আওতাধীন নরসিংদীর ইউএমসি জুট মিলের নিরীক্ষাকালে অভিযুক্ত পাট বিভাগীয় প্রধান এম এ এইচ মনোয়ার আলী, চরমুগুরিয়া পাট ক্রয় কেন্দ্রের ইনচার্জ মোজাম্মেল হক কামারপাড়া কেন্দ্রের ইনচার্জ নুরুল ইসলাম ও গোডাউন ইনচার্জ আরিফুর রহমান কর্তৃক চালান জালিয়াতি করে বিভিন্ন পাট সরবরাহকারী ব্যবসায়ীর বিল পরিশোধ না করে মোট দুই কোটি ২৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩৯২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে প্রমাণিত হয়।



সাতদিনের সেরা