kalerkantho

রবিবার । ২৬ বৈশাখ ১৪২৮। ৯ মে ২০২১। ২৬ রমজান ১৪৪২

চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারীদের সহযোগিতা চাইল কর্তৃপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৪ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারীদের সহযোগিতা চাইল কর্তৃপক্ষ

‘কঠোর’ লকডাউনের সময় নিত্যপণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বন্দর ব্যবহারকারীদের সহযোগিতা চেয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। কারণ চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা সাত দিন খোলা থাকলেও বন্দর ব্যবহারকারীরা যদি কাজ না করে তাহলে সুফল পাওয়া যাবে না। গত বছরের লকডাউনেও বন্দর ব্যবহারকারী সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সচল না হওয়ায় পণ্য ছাড় নিতে চরম বিপাকে পড়েছিলেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে কঠোর লকডাউনেও চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরের প্রতিটি বিভাগ কিভাবে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ সম্পন্ন করবে তারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিম বলছেন, ‘ঈদের নামাজের বিরতি ছাড়া বন্দরের পরিচালনব্যবস্থা এক মুহূর্তের জন্য বন্ধ থাকে না। কিন্তু আমরা সপ্তাহে সাত দিন এবং দিনে-রাতে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকলেও বন্দর ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যদি সমানভাবে সক্রিয় না থাকে তাহলে তো সুফল মিলবে না। এ জন্য আমরা আগেভাগেই চিঠি দিয়ে তাদের সবার সহযোগিতা চেয়েছি। তাদের সহযোগিতার ওপর নির্ভর করছে আমাদের পরবর্তী পারফরম্যান্স।’

তিনি বলেন, ‘কঠোর লকডাউনের মাঝেও চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন করতে আমরা প্রত্যেকের কাজ নতুন করে বণ্টন করেছি। রমজানের নিত্যপণ্য বন্দর থেকে ডেলিভারি নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

২০২০ সালের লকডাউন শুরুর পর এক ধরনের বিশৃঙ্খলা ছিল। প্রথম দিকে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলেও জটিলতায় পড়তে হয়েছিল। শিল্প-কারখানা বন্ধ থাকায় আমদানি পণ্য বন্দরে আটকা পড়েছিল; কারখানা বন্ধ থাকায় রপ্তানি পণ্য বন্দরেই আনা যায়নি। কাস্টমসের কাজ সীমিত করে ফেলায় সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানগুলো বেশির ভাগই বন্ধ ছিল। একেবারে সীমিত পরিসরে কাজ করেছে শিপিং লাইন অফিসগুলো; সরকারের বিএসটিআই, উদ্ভিদ সংগনিরোধ দপ্তর, আমদানি-রপ্তানি নিয়ন্ত্রক দপ্তর এবং বাণিজ্যিক ব্যাংক বন্ধ থাকায় বন্দর পরিচালন কার্যক্রম ভেঙে পড়েছিল। এতে বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছিল বন্দর ব্যবহারকারীদের। পরে অবশ্য সেই অবস্থান থেকে সরকার সরে আসে। শিল্প-কারখানা চালুর পর বন্দর পরিস্থিতির উন্নতি হয়। এবার অবশ্য আগেভাগে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত আসায় তেমন জটিলতায় পড়তে হবে বলে মনে হয় না।

শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন পরিচালক মুনতাসির রুবাইয়াত বলেন, ‘এবার আগেভাগে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত আসায় প্রত্যেক বন্দর ব্যবহারকারী নিজের মতো প্রস্তুতি নিতে পেরেছেন। আর নৌ বাণিজ্য দপ্তর থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে লকডাউনে চলাচলে কোনো বাধা নেই। ফলে আমদানি-রপ্তানি পণ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জটিলতায় পড়ার সুযোগ নেই। প্রথম দিনের পরই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।’



সাতদিনের সেরা