kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

৩.৫ মিলিয়ন ডলারের ক্রয়াদেশ পেয়েছে প্রাণ

বিশ্বে বাংলাদেশি বিস্কুট ও কনফেকশনারির চাহিদা বাড়ছে

বাণিজ্য ডেস্ক   

৩ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্বে বাংলাদেশি বিস্কুট ও কনফেকশনারির চাহিদা বাড়ছে

প্রাণ : গালফ ফুড ফেয়ার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহিরয়ার আলম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রাণের স্টল পরিদর্শন করেন এবং মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

করোনার মধ্যেও বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খাদ্যপণ্যের মেলা গালফ ফুড ফেয়ারে ক্রেতাদের ব্যাপক সাড়া পেয়েছে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ। বিশেষ করে এবারের মেলায় প্রাণ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিস্কুট, নুডলস ও কনফেকশনারি পণ্যের ক্রয়াদেশ বেশি পেয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে পাঁচ দিনব্যাপী গালফ ফুড ফেয়ার-২০২১ শেষ হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি। মেলায় বিশ্বের ৮৫টি দেশ থেকে প্রায় আড়াই হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য প্রদর্শন করে।

এবারের মেলায় প্রাণ ৩.৫ মিলিয়ন ডলারের ক্রয়াদেশ পেয়েছে। এই ক্রয়াদেশ এসেছে ৭৬টি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে। আর এসব প্রতিষ্ঠানের ক্রয়াদেশে বেশি ছিল প্রাণের বিস্কুট, নুডলস ও কনফেকশনারি পণ্য। এর পরিমাণ ছিল মোট পণ্যের প্রায় ৫০ শতাংশ। এ ছাড়া করোনার সময়ে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রাণ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পণ্যের সরবরাহ ও বিপণন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করেছে। এ কারণে মেলায় আগত আমদানিকারকরা প্রাণকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান।

প্রাণ এক্সপোর্টের নির্বাহী পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রাণ এই মেলায় ইউরোপের জার্মানি ও ইংল্যান্ড, আফ্রিকার ঘানা, মালি ও দক্ষিণ আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের ইয়েমেন থেকে বেশি ক্রয়াদেশ পেয়েছে। মেলায় প্রাণের প্যাভিলিয়নে ১০ ক্যাটাগরিতে প্রায় পাঁচ শতাধিক পণ্য প্রদর্শন করা হয়। এসব পণ্যের মধ্যে ছিল জুস ও বেভারেজ, কনফেকশনারি, স্ন্যাকস, বিস্কুট ও বেকারি, কুলিনারি, মসলা, ডেইরি ও ফ্রোজেন ক্যাটাগরির পণ্য।’

গালফ ফুড ফেয়ার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহিরয়ার আলম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রাণের স্টল পরিদর্শন করেন এবং মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।



সাতদিনের সেরা