kalerkantho

সোমবার । ৬ বৈশাখ ১৪২৮। ১৯ এপ্রিল ২০২১। ৬ রমজান ১৪৪২

দেশি শিল্প রক্ষায় পদক্ষেপ থাকবে

শুল্ক ছাড়ের দাবি বিসিএমইএ নেতাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশি শিল্প রক্ষায় পদক্ষেপ থাকবে

আগামী বাজেটে বিনিয়োগ বাড়াতে এবং দেশি শিল্পের সুরক্ষায় জোর দেওয়া হবে। এতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। সমগ্র অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। দেশি সিরামিক এবং টাইলস শিল্প বিকাশেও আগামী বাজেটে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

গতকাল রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলনকক্ষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় সভাপতির বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম এসব কথা বলেন। গতকাল থেকে এনবিআরের প্রাক-বাজেট আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রথম দিন বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমইএ) নেতারা আগামী বাজেটে অন্তর্ভুক্তিতে নিজেদের দাবিগুলো তুলে ধরেন। এ সময় এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের দেশে ১৯৯২ সালে সিরামিকশিল্পের যাত্রা শুরু। সরকার সিরামিক এবং টাইলস শিল্প বিকাশে সহযোগিতা করেছে বলেই আজকে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগী হতে সক্ষম হয়েছে। দেশীয় চাহিদা পূরণ করে এসব শিল্প এখন রপ্তানিও করছে।’

তিনি বলেন, এনবিআর সৎ এবং ভালো ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করে। একই সঙ্গে রাজস্ব ফাঁকিবাজদের চিহ্নিত করে তাদের কাছ থেকে হিসাব মতো রাজস্ব আদায় করে থাকে। এ ক্ষেত্রে এনবিআর কঠোর অবস্থানে আছে।

প্রাক-বাজেট আলোচনাকালে বিসিএমইএ প্রতিনিধিরা সংশ্লিষ্ট খাতে শুল্ক ছাড়ের জোরালো দাবি জানিয়েছেন। তাঁরা আমদানিতে আন্ডার-ইনভয়েসিংজনিত শুল্ক ফাঁকি রোধে ন্যূনতম ট্যারিফ মূল্য হালনাগাদের পাশাপাশি দেশীয় টাইলস ও স্যানিটারি পণ্যের উৎপাদন পর্যায়ে সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার এবং আগামী পাঁচ বছরের জন্য কর অবকাশ সুবিধা বহাল রাখার পক্ষেও বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন।

এই সময়ে সংগঠনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মোল্লা বলেন, অর্থনৈতিক জোন বা শিল্প পার্কের বাইরে ও ভেতরে অবস্থিত টাইলস ও স্যানিটারি শিল্পেও একই সুবিধা দিতে হবে। দেশীয় সিরামিকশিল্পের সুরক্ষায় কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানো, আন্ডার-ইনভয়েসিংজনিত শুল্ক ফাঁকি রোধে ন্যূনতম ট্যারিফ মূল্য হালনাগাদ করা জরুরি বলে মনে করেন সংগঠনের এই নেতা। দেশীয় টাইলস ও স্যানিটারি পণ্যের উৎপাদন পর্যায়ে সম্পূরক শুল্ক ১৫ ও ১০ শতাংশ সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের পক্ষেও তিনি যুক্তি তুলে ধরেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা