kalerkantho

বুধবার । ১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ এপ্রিল ২০২১। ১ রমজান ১৪৪২

ভার্চুয়াল সেমিনারে সালমান এফ রহমান

বিনিয়োগ টানতে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিনিয়োগ টানতে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে হবে

সালমান এফ রহমান, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাতের শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা

কভিড-১৯-পরবর্তী বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশের দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এর পাশাপাশি ব্যবসায় আস্থা এবং বিশ্বব্যাংকের ব্যবসা সহজীকরণ সূচকে এগিয়ে যেতে হবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাতের শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

গতকাল বুধবার ‘এফডিআই ইন পোস্ট কভিড ওয়ার্ল্ড : নিউ রিয়ালিটিজ অ্যান্ড রিফর্ম প্রায়োরিটিজ ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী সদস্য অভিজিৎ চৌধুরী।

ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) এই সেমিনারের আয়োজন করে। প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি রূপালী চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ ড. মাশরুর রিয়াজ।

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘কভিড-পরবর্তী বিশ্বে বিনিয়োগের ধরন, নীতি এবং প্রযুক্তি দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে অবস্থান ধরে রাখতে হলে আমাদের বিনিয়োগে নেতৃত্ব দেয়, এমন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে।’ বিনিয়োগে জানা-অজানা বাধা থেকে উত্তরণে কাজ করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য আমরা ইতিমধ্যে অনেক দূর এগিয়েছি। জমি রেজিস্ট্রেশন, বিডার একমুখী সেবা (ওএসএস) উন্নত করা হয়েছে। তবে এটাই যথেষ্ট নয়। আরো অনেক করতে হবে। এ জন্য এফআইসিসিআইয়ের সদস্য এবং অর্থনৈতিক বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারকে পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করতে পারে।’

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে শুল্ক একটি বড় বাধা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) নিয়মিত চাপে রাখতে হবে। করের হার কমিয়ে আওতা বাড়াতে হবে। এ জন্য আমরাও নিয়মিত তাগিদ দিচ্ছি এনবিআরকে।’

অর্থনীতিবিদ ড. মাশরুর রিয়াজ বলেন, ‘বিনিয়োগ বাড়াতে আমাদের সস্তা শ্রম গল্প তুলে ধরা হয়। এই সস্তা শ্রমনির্ভরতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। বিনিয়োগকারীদের আমাদের উৎপাদনশীলতা, দক্ষতা এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতার কথা তুলে ধরতে হবে।’

অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকে বৈশ্বিক অর্জনে বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নিম্ন আয়ের দেশ থেকে স্বল্পোন্নত দেশে উত্তরণের পথে আমরা। স্বাধীনতার পর খাদ্য নিরাপত্তা প্রায় তিন গুণ বেড়েছে, মাথাপিছু আয় দুই হাজার ৭৯ ডলারে উন্নীত হয়েছে, দারিদ্র্য গত ১০ বছরে ১০ গুণ কমেছে এবং ১০ কোটি মানুষ আজ ইন্টারনেটের আওতায় আছে।’ মুক্ত আলোচনায় আরো অংশ নেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের সিইও নাসের এজাজ বিজয় প্রমুখ।

মন্তব্য