kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

আটকে আছে ৪৫০ কোটি টাকা

স্বীকৃত বিলের দায় শোধে গড়িমসি ২৯ ব্যাংকের

আজ ব্যাংকার্স সভায় নির্দেশনা দেবেন গভর্নর

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যবসায়ীদের স্বীকৃত বিলের দায় যথাসময়ে পরিশোধ করছে না দেশের ব্যাংকগুলো। এই তালিকায় রয়েছে প্রায় ২৯টি ব্যাংক। এর মধ্যে কয়েকটি ব্যাংকের বিল শোধ না করার চিত্র হতাশাজনক। শুধু স্থানীয় নয়, বিদেশি ব্যবসায়ীদের (রফতানিকারকদের) দায় শোধেও গড়িমসি করছে তারা। এ অবস্থায় বিদেশি ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট দেশের এমবাসি থেকেও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে অভিযোগ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থানীয় ও বৈদেশিক মিলে প্রায় এক হাজার ৩০০টির বেশি স্বীকৃত বিলের বিপরীতে অপরিশোধিত অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ডলার বা ৪৬৬ কোটি টাকা। আজ বুধবার দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় স্বীকৃত বিলের দায় শোধে গড়িমসি করা ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন গভর্নর।

প্রতি তিন মাস পর পর এই সভা অনুষ্ঠিত হয়, যা ব্যাংকার্স সভা নামে পরিচিত। জানা গেছে, সভায় করোনাভাইরাসের ক্ষতি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত যেসব প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক জড়িত সেসব প্যাকেজের ঋণ বিতরণের অগ্রগতি আলোচনা হবে। সেই সঙ্গে চলতি অর্থবছরের মুদ্রানীতি এবং সর্বশেষ দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও একটা বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে। এ ছাড়া সর্বশেষ গত ১৭ জুন অনুষ্ঠিত ব্যাংকার্স সভায় নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হবে।

সূত্র জানিয়েছে, সভায় অপরিশোধিত স্থানীয় ও বৈদেশিক স্বীকৃত বিল শিরোনামে একটা এজেন্ডা ফরেন এক্সচেঞ্জ অপারেশন বিভাগ থেকে উপস্থাপন করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, সম্প্রতি সময়ে বৈদেশিক অপরিশোধিত স্বীকৃত বিলের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। ফলে বৈদেশিক ঋণপত্রের ক্ষেত্রে দিন দিন অ্যাড কনফারমেশন বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার খরচও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যদিকে স্থানীয় স্বীকৃত বিলের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকগুলোর পারস্পরিক অভিযোগ এবং বেনিফিশিয়ারি তথা বিক্রেতার কাছ থেকে অভিযোগের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। স্থানীয় ঋণপত্রের ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং শৃঙ্খলার পরিপন্থী।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা