kalerkantho

রবিবার। ২৮ চৈত্র ১৪২৭। ১১ এপ্রিল ২০২১। ২৭ শাবান ১৪৪২

উত্তরবঙ্গে রেকর্ড চা উৎপাদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উত্তরবঙ্গে রেকর্ড চা উৎপাদন

বাগানে পাতা তুলছেন চা শ্রমিকরা

২০২০ সালে বাংলাদেশে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয়েছে। দেশের ১৬৭টি চা বাগান এবং ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে মোট ৮৬.৩৯ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। তবে এ বছর শুধু উত্তরবঙ্গে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন বাগান থেকে রেকর্ড ১০.৩০ মিলিয়ন কেজি চা জাতীয় উৎপাদনে যুক্ত হয়েছে; যা গত বছর ৯.৬০ মিলিয়ন কেজি ছিল। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে উন্নয়নের পথনকশায় চায়ের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৫.৯৪ মিলিয়ন কেজি।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. জহিরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কভিড পরিস্থিতিতেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের সব চা বাগানের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। এ ছাড়া উৎপাদনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চা নিলাম কেন্দ্র চালু রাখা, সঠিক সময়ে ভর্তুকি মূল্যে সার বিতরণ, বাগানে কঠোরভাবে কভিড প্রটোকল নিশ্চিতকরণ, চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, রেশন এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের ফলে ২০২০ সালে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কভিড পরিস্থিতিতেও উৎপাদনের এই ধারাবাহিকতা থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দেশের চাশিল্প উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম। অর্থাৎ চাশিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।’

তিনি জানান, উত্তরবঙ্গে চা চাষিদের ‘ক্যামেলিয়া খোলা আকাশ স্কুলে’র মাধ্যমে চা আবাদ বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি সরবরাহের ফলে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ড সূত্র জানায়, ২০১৯ সালে বাম্পার ফলনের ফলে দেশে ৯৬ দশমিক ০৭ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল। ২০২০ সালে কভিডের কারণে হোটেল-রেস্টুরেন্ট বা চায়ের দোকানে জনসমাগম কমে যাওয়ায় চায়ের চাহিদা প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর চায়ের উৎপাদনও ১০ শতাংশ কমেছে। ফলে গত বছরের তুলনায় উৎপাদন কম হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চায়ের চাহিদা ও জোগানে ভারসাম্য বজায় রয়েছে।

মন্তব্য