kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৩ রজব ১৪৪২

১৪ মার্চ শুরু হতে পারে বাণিজ্য মেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১৪ মার্চ শুরু হতে পারে বাণিজ্য মেলা

দেশের ভোগ্য পণ্যর সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী বাণিজ্য মেলার তারিখ নির্ধারণ নিয়ে এখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছে মেলা আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। এর আগে মন্ত্রণালয় থেকে ১৭ মার্চকে নির্ধারণ করে ছাড়পত্রের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হলেও ওই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস হওয়ায় ১৭ মার্চের পরিবর্তে ১৪ মার্চকে পুনর্নির্ধারণ করে আবার প্রস্তাব পাঠানো হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইপিবি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ইপিবির যৌথ উদ্যোগে ২৬তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২১ পূর্বাচলে নতুন নির্মিত বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিসিএফইসি) আগামী ১৪ মার্চ থেকে অনুষ্ঠিত হবে বলে সাম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

ইপিবির মেলা কমিটি আহ্বায়ক ও সচিব ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, এর আগে ১৭ মার্চ নির্ধারণ করে প্রধানমন্ত্রীর অনুমতির জন্য পাঠানো হলে ওই দিন বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস হওয়ায় নতুন তারিখ নির্ধারণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তাই সময় কম হওয়ায় আমরা ওই দিনকে সাম্ভাব্য তারিখ ধরে কাজ করছি। এরই মধ্যে স্টল ও প্যাভিলিয়নের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। তবে এই দিনটিও পরিবর্তন হতে পারে। এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নবনির্মিত চায়না-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে তৈরি প্রদর্শনী কেন্দ্রের নামেও পরিবর্তন আসতে পারে। বর্তমান নামটি পরিবর্তন হয়ে বঙ্গবন্ধু চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার হতে পারে।

এ ব্যাপারে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এশিয়া উইংয়ের প্রধান মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকি কালের কণ্ঠকে বলেন, এ ব্যাপারে ছাড়পত্রের জন্য চায়না কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এখনো বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি। তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। জানা গেছে, পূর্বাচলে বাণিজ্য মেলার স্থায়ী অবকাঠামোর আয়তন ২০ একর। আগারগাঁওয়ে ছিল ৩০ একর। এই অবকাঠামোয় ২০০ থেকে ২৫০টির বেশি স্টলের স্থান সংকুলান হবে না। অন্যদিকে আগারগাঁওয়ে সাড়ে ৪০০ থেকে ৫০০টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন স্থান পেত। এ অবস্থায় পূর্বাচলে মূল অবকাঠামোর বাইরে কিভাবে প্যাভিলিয়ন দেওয়া যায়, গেট ইজারা ইত্যাদি নিয়ে এখন কাজ করছে ইপিবি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা