kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ ফাল্গুন ১৪২৭। ২ মার্চ ২০২১। ১৭ রজব ১৪৪২

বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী চিনির দাম

বাণিজ্য ডেস্ক   

১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী চিনির দাম

করোনা মহামারিতে গত বছরের শুরুর দিকে বিশ্ববাজারে চিনির দাম কমলেও বছরের শেষ দিকে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয়। তবে চলতি বছর সরবরাহ ঘাটতির বিপরীতে আন্তর্জাতিক বাজারে আমদানি বাড়ায় দ্রুত বাড়ছে চিনির দাম। ট্রেডিং ইকোনমিকসের হিসাব অনুযায়ী গত এক মাসে বিশ্ববাজারে চিনির দাম বেড়েছে ১৩.৩৯ শতাংশ, যদিও এক বছরের হিসাবে এ দাম বেড়েছে ৬.০৭ শতাংশ।

বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ভারতে চিনি উৎপাদন বাড়লেও বড় উৎপাদক দেশ ব্রাজিল ও থাইল্যান্ডে প্রতিকূল আবহাওয়ায় উৎপাদন কমবে। পাশাপাশি উৎপাদন কমছে ইউরোপে। বিপরীতে চাহিদা বেড়েছে চীন, ইন্দোনেশিয়াসহ এশিয়ার দেশগুলো থেকে। এ কারণে বাজারে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে, যা দাম বাড়াচ্ছে।

ইন্টারন্যাশনাল সুগার অর্গানাইজেশন (আইএসও) জানায়, চলতি মৌসুমে বিশ্বে চিনি উৎপাদন ১৭১.১ মিলিয়ন টনের বিপরীতে ভোগ হবে ১৭৪.৬ মিলিয়ন টন। ফলে ঘাটতি তৈরি হবে চিনির বাজারে। বিশ্ববাজারের এক-পঞ্চমাংশ চিনি সরবরাহ করে ব্রাজিল। কিন্তু দেশটিতে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন কমবে। বিশ্ববাজারে ৯ শতাংশ চিনি সরবরাহ করে থাইল্যান্ড। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে এ দেশটিরও উৎপাদন কমবে। অন্যদিকে আবাদ এলাকা কমার পাশাপাশি করোনা মহামারির কারণ চলতি মৌসুমসহ টানা তিন বছর চিনি উৎপাদন কমছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর। যদিও চলতি মৌসুমে ভারতের উৎপাদন বাড়ছে ১৭ শতাংশ। অন্যদিকে আমদানিকারক দেশগুলো থেকে চাহিদা বেড়েছে। ২০২১ সালে ইন্দোনেশিয়ার চিনি আমদানি ১০ শতাংশ বেড়ে হবে রেকর্ড ৩.৩ মিলিয়ন টন। গত বছর চীনের চিনি আমদানি বাড়ে ৩৭ শতাংশ। এ বছর আরো বাড়বে বলে জানা যায়। ফলে বিশ্ববাজারে চিনির দাম আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) জানায়, গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে বিশ্ববাজারে বেড়েছে খাদ্যপণ্যের দাম। এর ফলে টানা সপ্তম মাস ঊর্ধ্বমুখী আন্তর্জাতিক এ বাজার। ডিসেম্বরে খাদ্যপণ্যের দাম আগের মাসের চেয়ে বেড়েছে ২.২ শতাংশ। ২০২০ সালের পুরো বছরে বেড়েছে ৩.১ শতাংশ, যা তিন বছরে সর্বোচ্চ। এফএও জানায়, ২০২০ সালে বিশ্ববাজারে চিনির দাম আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে ১.১ শতাংশ। সূত্র : হিন্দু বিজনেস লাইন, এফএও প্রতিবেদন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা