kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ ফাল্গুন ১৪২৭। ২ মার্চ ২০২১। ১৭ রজব ১৪৪২

চা-বারে মজেছে তরুণরা

এ এস এম সাদ   

১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চা-বারে মজেছে তরুণরা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সলিমুল্লাহ রোডে অবস্থিত হাবিবি চা-বারের একাংশ। ছবি : কালের কণ্ঠ

রাস্তার পাশে টং দোকানে চা পাওয়া গেলেও যুগের হাওয়ায় দেখা মিলছে চা-বারের। গত কয়েক বছরে ঢাকা শহরে চায়ের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের চা-বার। এসব বারে পাওয়া যাচ্ছে হরেক রকমের চা। থাকছে বসার সুবিধা। আবার পেপার কাপে চা পরিবেশন করায় স্বাস্থ্যঝুঁকিও নেই। ঢাকা শহরে গড়ে ওঠা চা-বারের মধ্যে হাবিবি, চায়ের আড্ডা, টং ঘর অন্যতম।

লিকার চা ও দুধ চা মানুষের কাছে জনপ্রিয় হলেও বারগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে হরেক রকম স্বাদের চা। আবার ভিন্ন স্বাদের চায়ের স্বাদ নিতে মানুষ ঝুঁকছে ওসব দোকানে। রাস্তার পাশের টং দোকানগুলোতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে না গেলেও চায়ের বারে আসছে পরিবারের অনেকে মিলে। বারগুলোতে সন্ধ্যা হলেই চা পান ও আড্ডা শুরু হয়ে যায়। কেউ আসছে বন্ধুদের সঙ্গে, কেউবা আবার পরিবারের সদস্যের সঙ্গে নিয়ে চা পান করে।

বিকেল থেকেই এসব চা-বারে মানুষের আনাগোনাও বেড়ে যায়। লালবাগের চা-বার হাবিবিতে বিকেল হলেই মানুষের সমাগম যায় বেড়ে। এখানে নানা পদের মিষ্টি পাওয়া গেলেও চা খাওয়ার জন্য প্রতিদিন সন্ধ্যায় হাবিবিতে আসেন বেসরকারি সংস্থার চাকরিজীবী শান আহমেদ। তিনি বলেন, অফিস শেষ করে বাসায় যাওয়ার আগে এখান থেকে এক কাপ চা খেয়ে যাওয়া হয়। মাঝেমধ্যে রাত করেও বন্ধুদের সঙ্গে এখানে আড্ডা দিতে আসেন বলে তিনি জানান।

তিনি আরো বলেন, হাবিবি চা-বারে বসে গল্প করা যায়, আবার পরিবেশও ভালো। তাই চা পানের সঙ্গে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডাও হয়ে যায়। চায়ের নানা পদের মধ্যে মালাই চা, মালটোভা টি, হরলিকস টি, চকোলেট টি বেশি বিক্রি হয়।

আবার লিকার চায়ের মধ্যে লেমন, মাল্টা, গ্রিন, মসলা, মধুর চা, কালোজিরা মধু, পুদিনা পাতার চা বেশি চলে। ১০ টাকার দুধ চা থেকে পাওয়া যাবে ১০১ টাকার সুলতান সুলেমান চা। হাবিবি বারের স্বত্বাধিকারী সাইদ ওসামা জালাল বলেন, লালবাগ ও মোহাম্মদপুরের তিনটি ব্রাঞ্চ থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার টাকার চা বিক্রি হয়। আবার সন্ধ্যা হলেই মোহাম্মদপুরের প্রিন্স বাজারের পেছনে টং ঘরের বারের সামনে দেখা মিলবে চায়ের কাপ সবার হাতে হাতে। কেউ পান করছে মরিচ চা কেউবা আবার মাল্টা চা। প্রত্যেকের স্বাদে ভিন্নতা থাকলেও সবাই এসেছে চা পান করতে। প্রায় ৭৮ রকমের চা পাওয়া যায় টং ঘরে।

বারের অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার ইয়াসিন হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, সবচেয়ে বেশি বিক্রি  হয় মাল্টা চা। এরপর মসলা, লেবু, দুধ চাও বেশি বিক্রি হয়। তবে ইদানীং সবুজ, কালোজিরা, কফি মিক্স চা, দুধ গুড়ের চা বেশি বিক্রি হয়। চায়ের দাম ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০ টাকা পর্যন্ত।

আবার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় চায়ের আড্ডার সামনে যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। পাঁচ রকমের দুধ চা ও ৯ রকমের রং চা পাওয়া যায়। দোকানের বিক্রেতা জানান, দুধ চা ও মালাই চা বেশি বিক্রি হয়। চায়ের দাম ১৩ টাকা থেকে শুরু করে ২৩ টাকা পর্যন্ত।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা