kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৭ মাঘ ১৪২৭। ২১ জানুয়ারি ২০২১। ৭ জমাদিউস সানি ১৪৪২

ইএফডি যন্ত্র পেল বসুন্ধরা শপিং মলের ১৮০ দোকান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অবশেষে ভ্যাট আদায়ে ইএফডি (ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস) যন্ত্র প্রদান কার্যক্রম শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে এ যন্ত্র ব্যবহার সম্পর্কে ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণও শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল রাজধানীর সামারাই কনভেনশন সেন্টারের ঢাকার (দক্ষিণ) কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের উদ্যোগে বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের ব্যবসায়ীদের নিয়ে ইএফডি ব্যবহার এবং উপকারিতা সম্পর্কে অবহিতকরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এক লাখ ইএফডি যন্ত্র কিনতে সরকার ৩১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এতে ৬৭ কোটি টাকার ভ্যাট অব্যাহতি দিয়েছে। এসজেডজেডটি কম্পানি এসব যন্ত্র আমদানি করছে। ইএফডি বিক্রয়কেন্দ্রে রাখা থাকবে। এ যন্ত্র ব্যবহারে ইন্টারনেট প্রয়োজন হবে। এখানে বিক্রির তথ্য দেওয়া হলে প্রতিষ্ঠানগুলো কী পরিমাণ পণ্য বিক্রিতে কতটা ভ্যাট পরিশোধ করছে তা সহজে জানার সুযোগ থাকবে। এক মাসের ভ্যাট পরের মাসের নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে পরিশোধ না করলে এনবিআর কর্মকর্তারা দপ্তরে বসেই এসব যন্ত্র অকার্যকর করতে পারবেন।

ইএফডি যন্ত্রের বিপরীতে বিআইএন নম্বর দেওয়া হবে। একই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে একাধিক যন্ত্র থাকলেও বিআইএন একটিই হবে। তবে প্রতিটি যন্ত্রের জন্য এনবিআর থেকে বিশেষ কোড দেওয়া হবে। এই সংখ্যা উল্লেখ করে পরিশোধের রসিদ লেনদেন করা হবে। ইএফডি ব্যবহার করা হলে ভ্যাট আদায়ে স্বচ্ছতা আসবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মূসক (নিরীক্ষা ও গোয়েন্দা) জাকিয়া সুলতানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআই সহসভাপতি এবং বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির সভাপতি দিলীপ কুমার আগরওয়াল, বসুন্ধরা সিটি শপিং মল দোকান মালিক সমিতির সভাপতি এম এ হান্নান আজাদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম মৌলা এবং ঢাকার (দক্ষিণ) কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবীর।

বসুন্ধরা শপিং মলের ১৮০ ব্যবসায়িকে গত আগস্টে ইফডি প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় এ যন্ত্র ব্যবহারে যেসব সমস্যা হয়েছে তা ব্যবসায়ীরা জানান। তাঁরা বলেন, ইএফডি ব্যবহারে ভ্যাট আদায় কার্যক্রম কিছুটা ধীরে হয়। এ যন্ত্র শুধু বসুন্ধরাতে নয়, সারা দেশে সরবরাহের দাবি জানান তাঁরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘বসুন্ধরা শপিং মলের ১৮০টি দোকানে ইএফডি প্রদানের মধ্য দিয়ে ভ্যাট আদায়ে যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হলো। আসছে জানুয়ারিতে দেশে আরো ১০ হাজার যন্ত্র প্রদান করা হবে। আগামী জুনে আরো প্রায় এক লাখ ইএফডি প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ইএফডির মাধ্যমে ভ্যাট আদায় করা হলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই হয়রানিমুক্ত থাকতে পারবেন। সরকারও সঠিক হিসাবে ভ্যাট পাবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা