kalerkantho

বুধবার। ৬ মাঘ ১৪২৭। ২০ জানুয়ারি ২০২১। ৬ জমাদিউস সানি ১৪৪২

৫৩৬ টন স্ক্র্যাপের বদলে মিলল কংক্রিট ব্লক

আমদানির নামে অর্থপাচার কি না খতিয়ে দেখছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৫ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্ক্র্যাপের ঘোষণা দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৫৩৬ টন পণ্য আমদানি করেছিল সাকুরা স্টিল লিমিটেড নামে কুমিল্লার একটি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে আসার পর এর ২০টি কনটেইনারেই মিলেছে ১১৫ টন কংক্রিট ব্লক। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ পণ্যসহ কনটেইনারগুলো আটক করেছে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, সাকুরা স্টিল কুমিল্লা জেলার ময়নামতির বুড়িচংয়ের ঠিকানায় সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৫৩৬ টন স্ক্র্যাপ আমদানির জন্য রূপালী ব্যাংকের ঢাকা দিলকুশা শাখায় একটি ঋণপত্র খোলে। ঋণপত্রে পণ্যের মূল্য ধরা হয় এক লাখ ৭১ হাজার ৫৭৪ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় এক কোটি ৪৫ লাখ টাকা। ওই ঋণপত্রের আওতায় গত বছরের ২১ এপ্রিল দুবাইয়ের জাবেল আলি বন্দর থেকে এমভি স্মাইলি লেডি জাহাজযোগে লোহাশিল্পের কাঁচামাল হিসেবে স্ক্র্যাপ ঘোষণায় ২০টি কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। শিল্পের কাঁচামাল হওয়ায় দ্রুত খালাসের লক্ষ্যে কনটেইনারগুলো সিসিটিসিএল ডিপোতে পাঠানো হয়। পণ্য খালাসের লক্ষ্যে আমদানিকারক দীর্ঘদিন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো নথিও দাখিল করা হয়নি। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ টিম কনটেইনারগুলো কায়িক পরীক্ষার উদ্যোগ নেয়। তারা কনটেইনার খুলে ৫৩৬ টন স্ক্র্যাপের পরিবর্তে বাণিজ্যিকভাবে মূল্যহীন কিংবা স্বল্প মূল্যের ১১৫ টন কংক্রিট ব্লক পায়। এ বিষয়ে কাস্টমসের এআইআর শাখার সহকারী কমিশনার রেজাউল করিম বলেন, ‘স্ক্র্যাপের পরিবর্তে কংক্রিট আনায় এ ক্ষেত্রে এক কোটি ৪৫ লাখ টাকা পাচারের প্রচেষ্টা ছিল কি না অথবা রপ্তানিকারক এ দেশীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন কি না, তা অনুসন্ধান করবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অ্যান্টি মানি লন্ডারিং ইউনিট।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা