kalerkantho

শুক্রবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৭ নভেম্বর ২০২০। ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

লোহাগড়ায় কদর বেড়েছে নলেন গুড়ের সন্দেশের

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি   

২৩ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লোহাগড়ায় কদর বেড়েছে নলেন গুড়ের সন্দেশের

শীতের শুরুতেই কদর বেড়েছে নলেন গুড়ের সন্দেশের। নড়াইলের লোহাগড়ার এ সন্দেশের চাহিদা দেশজুড়েই রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অনলাইনে যেমন চাহিদা আসে, তেমনি আসে ব্যক্তি মারফতেও। আর যাদের আত্মীয়-স্বজন বিদেশে রয়েছে তাদের মাধ্যমে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও যাচ্ছে এই সন্দেশ।

মূলত মিষ্টি তৈরি করা হয় রস থেকে। শীত মৌসুমে রসের সরবরাহ যেমন বেশি, তেমনি এর চাহিদাও বেশি থাকে। এ মৌসুমে মানুষ মিষ্টি খেতেও বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। কাঙ্ক্ষিত সেই মিষ্টি যদি হয় লোহাগড়ার লক্ষ্মীপাশা খেয়াঘাটে অবস্থিত সাহা সুইটসের নলেন গুড়ের সন্দেশ, তাহলে তো আর কোনো কথাই নেই। বিয়ে, সুন্নতে খাতনা, নববর্ষ ছাড়াও নানা অনুষ্ঠানে ওই দোকানের সন্দেশ সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

শীত মৌসুমে গাছিদের কাছ থেকে দোকানদাররা খেঁজুর গাছের রস সংগ্রহ করে থাকে। সেই রস থেকেই নলেন গুড় তৈরি হয়। আর এ গুড় থেকেই তৈরি হয় সন্দেশ। প্রতি কেজি সন্দেশ ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। প্রতিদিন গড়ে ওই দোকানের তিন-চার মণ মিষ্টি বিক্রি হয়ে থাকে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা বিশেষ করে এসএসসি ও এইচএসসির পরীক্ষার ফলাফলের দিন তো দোকানের মিষ্টি কেনার হিড়িক পড়ে যায়। এ সন্দেশ খেতে চলে আসে ঢাকাসহ আশপাশের জেলার ভোজনবিলাসী মানুষরা। বিদেশেও সমাদৃত হচ্ছে এ সন্দেশ। প্রবাসীরা তাঁদের আত্মীয়-স্বজনদের মাধ্যমে এর স্বাদ গ্রহণ করেন। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সন্দেশ ছাড়াও রয়েছে নলেন গুড়ের চমচম। কেজি ২০০ থেকে ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এর চাহিদাও অনেক। বছরের প্রায় ছয় মাস এ সন্দেশ ও চমচম পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে কথা হয় সাহা সুইটসের পরিচালক ও নলেন গুড়ের সন্দেশের কারিগর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার (বিএসসি) অভিজিত সাহা অভির সঙ্গে। তিনি জানান, ১৯৭১ সালে তাঁর দাদা সচিন্দ্রনাথ সাহা নলেন গুড়ের সন্দেশ তৈরি করে বিক্রি করতেন। বাজারে প্রচুর চাহিদা ও সুনাম থাকায় দাদার মৃত্যুর পর দাদি নমিতা রানী সাহা হাল ধরেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা