kalerkantho

শুক্রবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৭ নভেম্বর ২০২০। ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

সঞ্চয়পত্রেই আগ্রহ মানুষের

তিন মাসেই লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকেরও বেশি বিক্রি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সঞ্চয়পত্রেই আগ্রহ মানুষের

বেশি সুদ ও নিরাপদ বিনিয়োগের কারণে সঞ্চয়পত্রেই ঝুঁকছেন মানুষ। ফলে নানা কড়াকড়ির পরও বিক্রি বাড়ছে সঞ্চয়পত্রের। সর্বশেষ সেপ্টেম্বর মাসে নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে চার হাজার ২০৭ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের একই মাসের চেয়ে তিন গুণেরও বেশি। সব মিলে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ১১ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৫০ শতাংশ বেশি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংকে টাকা রাখলে এখন সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ সুদ পাচ্ছেন গ্রাহকরা। কিন্তু সঞ্চয়পত্রে সুদহার বেশি, প্রায় ১২ শতাংশের কাছাকাছি। এ ছাড়া সরকারের গ্যারান্টি থাকায় সবচেয়ে নিরাপদও। তাই বিভিন্ন শর্ত পরিপালন করেও সঞ্চয়পত্রে ঝুঁঁকছেন মানুষ।

চলতি অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। এ হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসেই পুরো অর্থবছরের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকেরও বেশি সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। নিট বিক্রির পরিমাণ এভাবে বাড়তে থাকলে ছয় মাসের আগেই পুরো অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

কয়েক বছর ধরেই সঞ্চয়পত্র বিক্রি বাড়ছিল। তবে লাগাম টানতে গত বছরের মাঝামাঝিতে সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে বেশ কিছু শর্ত ও বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। এতে সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমতে থাকে। এরপর গত মার্চ থেকে দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর স্থবির হতে শুরু করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। টানা ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটিতে উৎপাদন ও বিনিয়োগের চাকা ছিল প্রায় বন্ধ। এতে অনেকেরই আয়-রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মে পর্যন্ত সঞ্চয় বিক্রি তলানিতে নেমে যায়। তবে জুনে সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে কিছুটা গতি আসে। জুনে নিট বিক্রির পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৪১৭ কোটি টাকা। জুনের পর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে সঞ্চয়পত্র বিক্রি আরো বাড়ে। ওই মাসে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি দাঁড়ায় তিন হাজার ৭০৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৬৭.৫০ শতাংশ বেশি ছিল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা