kalerkantho

শনিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

প্রণোদনার সিএমএসএমই তহবিল

ব্যবসা উপখাতে ঋণের সীমা বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ব্যবসা উপখাতে ঋণের সীমা বাড়ল

মহামারি করোনাভাইরাসের ক্ষতি মোকাবেলায় কুটির, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতে (সিএমএসএমই) সরকার ঘোষিত ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিলের ঋণ বিতরণে গতি আসছে-ই না। তাই এই তহবিলের ঋণ বিতরণে গতি আনতে এবার সিএমএসএমইর অনুৎপাদনশীল ব্যবসা উপখাতে ঋণ বিতরণের সীমা বাড়াল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এত দিন ব্যবসা উপখাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ঋণের আনুপাতিক হার ২০ শতাংশ থাকলেও এখন তা বাড়িয়ে ৩০ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রগ্রামস বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, এর ফলে ব্যবসা উপখাতে আগের চেয়ে বেশি প্রণোদনার ঋণ বিতরণের সুযোগ তৈরি হলো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, গত ১৩ এপ্রিল সিএমএসএমই তহবিলের নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বলা হয়, অধিকসংখ্যক জনবল নিয়োজিত থাকায় সিএমএসএমইর উৎপাদন ও সেবা এই দুই উপখাতে প্রাধান্য দিয়ে মাইক্রো ও ক্ষুদ্রশিল্পে ব্যবসা উপখাতকেও প্রণোদনা প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সেই সঙ্গে উৎপাদন, সেবা ও ব্যবসা উপখাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ঋণ বিনিয়োগের আনুপাতিক হার যথাক্রমে ৫০, ৩০ ও ২০ শতাংশে নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তী সময় গত ৩১ আগস্ট আরেক সার্কুলারের মাধ্যমে উৎপাদন ও সেবা খাতে বার্ষিক ঋণের আনুপাতিক হার যথাক্রমে ৫০ ও ৩০ শতাংশের পরিবর্তে সামগ্রিকভারে ৮০ শতাংশে পুনর্বিন্যাস করা হয়।

সার্কুলারে বলা হয়, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সিএমএসএমই খাতের অন্তর্ভুক্ত শিল্প ও সেবা উপখাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণ বিতরণ করা হলেও আলোচ্য

প্যাকেজ বাস্তবায়ন অগ্রগতি আশানুরূপ হয়নি। তা ছাড়া, ব্যবসা উপখাতে নিয়োজিত মাঠপর্যায়ের উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন ব্যাবসায়িক সংগঠন ব্যবসা উপখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির অনুরোধ জানিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবসা উপখাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ঋণের আনুপাতিক হার ২০ শতাংশের পরিবর্তে সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ নির্ধারণ করা হলো। তবে তহবিলের আওতায় ব্যবসা উপখাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বার্ষিক ঋণ বিনিয়োগের ২০ শতাংশের বেশি হলে (যা কোনোভাবেই ৩০ শতাংশের অধিক হতে পারবে না) সমানুপাতিক হারে উৎপাদন ও সেবা উপখাতে ঋণের অনুপাত হ্রাস পাবে। তবে উৎপাদন ও সেবা উপখাতে সামগ্রিক ঋণের অনুপাত ৭০ শতাংশের কম হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই প্যাকেজের আওতায় মাত্র চার হাজার ৮২২ কোটি টাকা বিতরণ করেছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। ২৬ হাজার ৮৬৪টি সিএমএসএমই প্রতিষ্ঠান এই ঋণ পেয়েছে। এর মধ্যে নারী উদ্যোক্তা হচ্ছেন এক হাজার ১২৪ জন ও পুরুষ হচ্ছেন ২১ হাজার ৬৪২ জন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা