kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ১ ডিসেম্বর ২০২০। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

‘পাটকল শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ নভেম্বরের মধ্যে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে বাংলাদেশ জুটমিল করপোরেশনের (বিজেএমসি) সব মিলের শ্রমিকদের সম্পূর্ণ পাওনা পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিজেএমসি’র বন্ধ ঘোষিত মিলগুলোর অবসরপ্রাপ্ত ও অবসানকৃত শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে এ পর্যন্ত আটটি মিলের শ্রমিকদের পাওনা বাবদ মোট এক হাজার ৭৯০ কোটি ৫২ লাখ টাকা অর্থ বিভাগ থেকে পাচ্ছে, যা শ্রমিকদের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর এবং সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে পরিশোধ করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২৫ অক্টোবর আরো দুটি মিলের (চট্টগ্রামের হাফিজ জুটমিল ও খুলনার ইস্টার্ন জুটমিল) শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের কার্যক্রম শুরু হবে। এই প্রক্রিয়ায় আগামী মাসের মধ্যে সব মিলের শ্রমিকদের পাওনা সম্পূর্ণ পরিশোধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, ‘পৃথিবীজুড়ে পাটের কদর ও চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাট চাষিরা কাঁচা পাটের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন। চলতি পাট মৌসুমে কাঁচা পাটের গড় দর তিন হাজার টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। এর ফলে পাট চাষিরা ভবিষ্যতে অধিক পরিমাণে পাট চাষে আগ্রহী হবেন। এতে করে দেশের অর্থনীতিতে পাট খাতের অবদান আরো সুসংহত হবে বলে আশা করা যায়।’

পাটমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বন্ধ ঘোষিত পাটকলগুলোর শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের পাশাপাশি সার্বিকভাবে পাট খাতকে পুনরুজ্জীবিত এবং মিলগুলোকে উপযুক্ত মডেলে আধুনিকায়ন ও ফের চালু করার লক্ষ্যে কর্মকৌশল নির্ধারণ এবং বিজেএমসির সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনে দুটি পৃথক কমিটি গঠন করেছে। কমিটি দুটির সুপারিশের আলোকে বন্ধ ঘোষিত মিলগুলো নতুন আঙ্গিকে ফের চালু হবে এবং এভাবে চালু হওয়ার পর মিলে আগের অভিজ্ঞ শ্রমিকরা আবারও কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা