kalerkantho

শুক্রবার । ৭ কার্তিক ১৪২৭। ২৩ অক্টোবর ২০২০। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

বাংলাদেশে পঞ্চমবার কটন ডে উদযাপন

বাণিজ্য ডেস্ক   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশে পঞ্চমবার কটন ডে উদযাপন

অনুষ্ঠানে কটন কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশের পরামর্শদাতা সাব্বির আহমেদ চৌধুরী, আলী আরসালান, জামিল আনসারি এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলী খোকন

পঞ্চম কটন ডে (তুলা দিবস) বাংলাদেশ উপলক্ষে গত সোমবার এক ভার্চুয়াল সেমিনারের আয়োজন করেছে কটন ইউএসএ। যুক্তরাষ্ট্রের মানসম্পন্ন তুলা এবং সর্ববৃহৎ তুলাজাত গার্মেন্ট পণ্যের প্রস্তুতকারক এবং রপ্তানিকারক হিসেবে বাংলাদেশের অর্জনকে উদযাপন করতে ২০১৬ সাল থেকে কটন কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনাল (সিসিআই) কটন ডে পালন শুরু করে। সেমিনারে অংশ নেন স্পিনিং এবং টেক্সটাইল মিলের মালিক, এক্সিকিউটিভ, গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও রিটেইলারস, কটন মার্চেন্টস এজেন্ট এবং ব্যবসায়ীসহ এক হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি। সেমিনারে বক্তব্য দেন ওয়ালমার্টের সাবেক সিইও মাইকেল ডিউক; ইউরেশিয়ান গ্রুপের পরিচালক উইলিস স্পার্কস; যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় কটন পরিষদের প্রেসিডেন্ট ডক্টর গ্যারি এডামস; সিসিআইয়ের চেয়ারম্যান ও স্ট্যাপলকটনের সিইও হ্যানক রেইকলি; সিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট রিকি ক্লার্ক এবং সিসিআইয়ের কার্যনির্বাহী পরিচালক বরুস এথ্যারলি। সিসিআইয়ের কার্যনির্বাহী পরিচালক বরুস এথ্যারলি বলেন, ‘বর্তমান মহামারির এ সময়ে কটন ইউএসএকে আপনারা যেভাবে সমর্থন দিয়েছেন তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আমরা আশা করি এই সময়কে ভালোভাবে মোকাবেলা করতে পারব এবং সবার সহযোগিতায় আমাদের ব্যবসাকে আগের থেকেও ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে সক্ষম হব’।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলী খোকন বলেন, ‘ইউএসএ আমাদের রেডিমেড গার্মেন্টসের একটা বড় বাজার। আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে যাঁরা তুলা ব্যবহার করি এবং সেসব তুলা দ্বারা প্রস্তুতকৃত কাপড় যদি শুল্ক সুবিধা পায়; তবে যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের গার্মেন্টশিল্পের ব্যবসা আরো বৃদ্ধি পাবে। কারণ আমরা লক্ষ করেছি গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ইউএসএর তুলার ব্যবহার ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে।’ অনুষ্ঠানে আসনা ভেঞ্চারসের এমডি ও বাংলাদেশ সিসিআইএর পরামর্শদাতা সাব্বির আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘তিন-চার বছর আগেও আমাদের দেশ ১০০ শতাংশ তুলার তৈরি পোশাক রপ্তানি করত যদিও এটি এখন ৮৫ শতাংশে নেমে গিয়েছে, কিন্তু তার পরেও বাংলাদেশের মতো এমন অনন্য অবস্থায় বিশ্বের অন্য কোনো দেশ নেই।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা