kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

বাণিজ্য ঘাটতি কমছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মহামারি করোনায় আমদানি বেশ খানিকটা কমেছে। এতে কমতে শুরু করেছে বাণিজ্য ঘাটতি। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে ৬৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার। বাংলাদেশি টাকায় এর পরিমাণ পাঁচ হাজার ৯৩৩ কোটি টাকা, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় তিন ভাগের এক ভাগ। গত বছরের একই সময়ে এই ঘাটতি ছিল ২০৫ কোটি ডলার। অন্যদিকে, আমদানি কমার পাশাপাশি রেমিট্যান্সে ঊর্ধ্বগতি ও রপ্তানি আয় ইতিবাচক ধারায় চলতি হিসাবের ভারসাম্যে বড় উদ্বৃত্ত তৈরি হয়েছে। এর পরিমাণ প্রায় ৩৩০ কোটি ডলার।

প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে গত অর্থবছর শেষ হয়েছিল। চলতি অর্থবছরেও বড় আকারের বাণিজ্য ঘাটতি হবে বলে আগেই পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে অর্থবছরের শুরুতে বাণিজ্য ঘাটতি কম রয়েছে।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে আমদানি ব্যয় কমলেও উল্টো বেড়েছে রপ্তানি আয়। ফলে আমদানি-রপ্তানির মধ্যকার ব্যবধান বা বাণিজ্য ঘাটতি কমে এসেছে। এই সময়ে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ৬৭৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার আয় করেছে। আর আমদানিতে ব্যয় করেছে ৭৪৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। এ হিসাবে পণ্য বাণিজ্যে সামগ্রিক ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এই দুই মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ২.৪ শতাংশ। আর আমদানি ব্যয় কমেছে প্রায় ১৪ শতাংশ।

সেবা খাতের বাণিজ্য ঘাটতিও কমেছে। গত বছরের জুলাই-আগস্ট সময়ে এ খাতের ঘাটতি ছিল ৫০ কোটি ৯০ লাখ ডলার। আর এ বছরের একই সময়ে তা কমে ১৯ কোটি ৭০ লাখ ডলারে নেমে এসেছে। মূলত বীমা, ভ্রমণ ইত্যাদি খাতের আয়-ব্যয় হিসাব করে সেবা খাতের বাণিজ্য ঘাটতি পরিমাপ করা হয়। বাণিজ্য ঘাটতি কমার পাশাপাশি চলতি হিসাবের ভারসাম্যেও বড় উদ্বৃত্ত রয়েছে। এই সময়ে চলতি হিসাবে ৩২৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত ছিল মাত্র ২০ কোটি ডলার। এদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ৩৬ কোটি ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাংলাদেশে এসেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা