kalerkantho

শুক্রবার। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৪ ডিসেম্বর ২০২০। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

পুঁজিবাজারে সর্ববৃহৎ আইপিওর অনুমোদন পেল রবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পুঁজিবাজারে সর্ববৃহৎ আইপিওর অনুমোদন পেল রবি

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য রবি আজিয়াটা লিমিটেডকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত কমিশনের ৭৪১তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম।

তিনি জানান, কম্পানিটি অভিহিত মূল্যে শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৫২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩৩ হাজার ৩৪০ টাকা সংগ্রহ করবে, যা দিয়ে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও আইপিও খরচ পরিচালনা করা হবে। এই টাকা তোলার জন্য কম্পানিটি ৫২ কোটি ৩৭ লাখ ৯৩ হাজার ৩৩৪টি সাধারণ শেয়ার আইপিওতে ইস্যু করবে। এর মধ্যে ১৩ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার ৯৩৪টি শেয়ার কম্পানির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে ইস্যু করা হবে।

বিএসইসি জানিয়েছে, কম্পানিটির ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে চার পয়সা। আর পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৬৪ পয়সা। কম্পানিটিকে পুঁজিবাজারে আনতে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট।

বিএসইসি আরো জানিয়েছে, ইলেকট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেমের মাধ্যমে কম্পানিটির সাধারণ শেয়ারের চাঁদা দিতে ইচ্ছুক প্রত্যেক যোগ্য বিনিয়োগকারীকে চাঁদা গ্রহণ শুরুর দিন থেকে পূর্ববর্তী পাঁচ কার্যদিবস শেষে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বাজারমূল্যে কমপক্ষে এক কোটি টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে।

এদিকে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস থেকে জানানো হয়েছে, রবি পুঁজিবাজার থেকে ৫২৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে, যা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ আইপিও। উত্তোলিত অর্থ রবির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য ব্যবহূত হবে। টেলিকমিউনিকেশন খাতের দ্বিতীয় কম্পানি হিসেবে রবির তালিকাভুক্তি বাজারের মূলধনকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে।

প্রতিষ্ঠানটি আরো জানিয়েছে, আইডিএলসি ২০১৬ সালে রবি-এয়ারটেল একীভূতকরণেও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছে, যা বাংলাদেশের বৃহত্তম মার্জার লেনদেনগুলোর মধ্যে অন্যতম।

আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের এমডি অ্যান্ড সিইও আরিফ খান বলেন, ‘রবি আজিয়াটার এই আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত তহবিল তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে বলে বিশ্বাস করি। ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে রবির এই অর্জনে সহযোগী হতে পেরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। আইডিএলসি ভবিষ্যতেও এ ধরনের ইতিবাচক কার্যক্রমের সঙ্গে থাকবে বলে আশা করছি।’

রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেন, ‘আমাদের আইপিও আবেদনে সদয় অনুমোদন প্রদানের জন্য বিএসইসিকে আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এটি নিঃসন্দেহে রবির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। শেয়ারবাজারের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ মূলধনী শেয়ার হিসেবে আমরা তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছি, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। সরকারের কাছে আমাদের কিছু প্রত্যাশা ছিল, আমরা আশা করছি, এ অনুমোদনের সঙ্গে সঙ্গে সে বিষয়গুলোও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে সদয়ভাবে বিবেচনা করা হবে। উদ্ভাবনী শক্তিতে উজ্জীবিত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতা কামনা করছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা