kalerkantho

বুধবার । ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৫ নভেম্বর ২০২০। ৯ রবিউস সানি ১৪৪২

সুন্দরবনে যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা

ভালো নেই খুলনার পর্যটন ব্যবসায়ীরা

কৌশিক দে, খুলনা   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভালো নেই খুলনার পর্যটন ব্যবসায়ীরা

ফাইল ছবি

প্রায় ছয় মাস ধরে সুন্দরবনে পর্যটকদের যাতায়াত ও নৌচলাচল বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন পর্যটনশিল্পের সঙ্গে জড়িত কয়েক হাজার মানুষ। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে নৌযানগুলো বন্ধ থাকায় সেগুলোর যন্ত্রপাতিও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এর ওপর আবার আয় না থাকলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। ফলে একদিকে ব্যবসায়ীরা লোকসানের শিকার, অন্যদিকে সরকারও মোটা অঙ্কের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন ব্যবসার সময় বছরের মাত্র পাঁচ-ছয় মাস। বাকি সময় এমনিতেই অলস বসে থাকতে হয়। কিন্তু চলতি বছর ১৯ মার্চ থেকে সুন্দরবনে যাতায়াত ও নৌচলাচল নিষিদ্ধ থাকায় তাঁরা পথে বসতে চলেছেন। কক্সবাজার, কুয়াকাটাসহ বিভিন্ন স্থানে পর্যটনকেন্দ্র খুললেও সুন্দরবনে তা করা হয়নি। এর ফলে এ অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, সুন্দরবনকেন্দ্রিক ৭০টি ট্যুর কম্পানির অর্ধশত জাহাজ রয়েছে। সাড়ে তিন শ জালিবোট, দেড় শ ট্রলার এবং মালিক-শ্রমিক-কর্মচারী মিলিয়ে কয়েক হাজার মানুষ পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল। ছয় মাস কাজ বন্ধ থাকায় ট্যুর লঞ্চ, জালিবোট, ট্রলার ও নৌকাসহ দুই হাজার নৌযান অলস পড়ে আছে। এতে ইঞ্জিন বিকলসহ ঘাটেই নষ্ট হতে বসেছে অধিকাংশ ট্যুর নৌযান।

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবনের সভাপতি মো. মঈনুল ইসলাম জমাদ্দার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দেশের অধিকাংশ পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে। সুন্দরবন খুলে দিলে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এতে কয়েক হাজার মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে বাঁচতে পারবে। সরকারও রাজস্ব পাবে।’ মঈনুল ইসলাম আরো বলেন, ‘এরই মধ্যে আমরা বিভিন্ন মহলে আবেদন করেছি। রাজপথেও দাবি জানাচ্ছি। আশা করি সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি মানবিকভাবে দেখবেন।’

খুলনা আঞ্চলিক বন সংরক্ষক (ডিএফও) মো. মঈনুদ্দিন খান বলেন, ‘সুন্দরবনে যাতায়াতের বিধিনিষেধ থাকায় এখনো সেখানে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সুন্দরবনে যাতায়াত বন্ধ থাকবে। তার পরও নতুন কোনো সিদ্ধান্ত এলে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা