kalerkantho

শনিবার । ৮ কার্তিক ১৪২৭। ২৪ অক্টোবর ২০২০। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

বেনাপোল বন্দরে ১১ মাস ধরে পরিচালক পদ শূন্য

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বেনাপোল বন্দরে ১১ মাস ধরে পরিচালক পদ শূন্য

দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে ১১ মাস ধরে পরিচালকের পদ শূন্য। ভারপ্রাপ্তের ওপর ভর করে চলছে এই স্থলবন্দর। এতে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে দেরি হচ্ছে বলে দাবি করছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। উপসচিব পদমর্যাদার একজনকে বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। অথচ ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে উপসচিব প্রদোষ কান্তি দাস বদলি হয়ে চলে যান। এরপর আর কোনো পরিচালক নিয়োগ দেয়নি স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। ১১ মাস ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন বর্তমান বন্দরের উপপরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল জলিল।

বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, বন্দরের তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক। যেকোনো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে ঢাকার প্রধান কার্যালয়ের দিকে তাঁকে চেয়ে থাকতে হয়। ওখান থেকে দিকনির্দেশনা আসার পর কাজ হয় বন্দরে। অবশ্য বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, আপাতত এখানে কোনো সমস্যা নেই। কোনো সমস্যা দেখা দিলে তারাই বিষয়টি দ্রুত সমাধান করে দিচ্ছে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, পরিচালক পদে যেসব কর্মকর্তা আসেন তাঁরা এখানে থাকতে চান না। পরিচালক না থাকায় যাঁরা দায়িত্ব পালন করেন তাঁদের হাতে দাপ্তরিক ক্ষমতাও কম। বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের নির্দেশ ছাড়া তাঁরা কিছুই করতে পারেন না।

সজন বলেন, প্রতিবছর এই বন্দরে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব দিয়ে থাকেন ব্যবসায়ীরা। এখানে দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোর অবস্থা বেহাল। এতে পণ্য খালাসে বিলম্ব ও অর্থনৈতিক ক্ষতিতে ব্যবসায়ীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবির তরফদার বলেন, ‘একজন উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা এখানে নিয়োগ দিলে তাঁরা এখানে এসে কয়েক দিন পর বদলি হয়ে চলে যান। আবার অনেকে এখানে আসতেও চান না। যে কারণে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা