kalerkantho

রবিবার । ৯ কার্তিক ১৪২৭। ২৫ অক্টোবর ২০২০। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

নতুন যুক্ত হয়নি একটিও

এবারও ৩৮ পণ্য ও খাত পাবে নগদ সহায়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এবারও ৩৮ পণ্য ও খাত পাবে নগদ সহায়তা

চলতি অর্থবছরে নতুনভাবে কোনো পণ্য ও খাতকে নগদ সহায়তার জন্য যুক্ত করেনি সরকার। ফলে এবার গত অর্থবছরের সেই ৩৮টি পণ্য ও খাত নগদ সহায়তা পাবে। সেই সঙ্গে নগদ সহায়তার পরিমাণও অপরিবর্তিত থাকবে। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক নীতি বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

গত অর্থবছরে প্রাথমিকভাবে ৩৭টি পণ্য ও খাতে নগদ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মধ্যে তৈরি পোশাক খাতে ১ শতাংশ বিশেষ নগদ সহায়তা এবং কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস, ইলেকট্রিক্যাল হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স পণ্য খাতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরবর্তী সময় অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে এসে চাল রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ নগদ সহায়তা (ভর্তুকি) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে সব মিলে নগদ সহায়তার পণ্য ও খাত গিয়ে দাঁড়ায় ৩৮টিতে। তার আগের অর্থবছরে ৩৫টি পণ্য ও খাতে নগদ সহায়তা দিয়েছিল সরকার।

নতুন সার্কুলার অনুযায়ী, দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা, বস্ত্র খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত সুবিধা এবং যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইইউ ছাড়া নতুন পণ্য বা বাজার সম্প্রসারণ সহায়তা ৪ শতাংশ, ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র খাতে রপ্তানিকারকদের জন্য বিদ্যমান ৪ শতাংশের অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা ২ শতাংশ, এর বাইরে তৈরি পোশাক শিল্পের যেসব রপ্তানিকারক কোনো নগদ সহায়তা পান না, তাঁরা আগের মতো এবারও ১ শতাংশ বিশেষ নগদ সহায়তা পাবে। চামড়াজাত পণ্য, ফার্নিচার, জাহাজ, প্লাস্টিক পণ্য, পেট বোতল-ফ্লেক্স থেকে উৎপাদিত পলিয়েস্টার স্টাপল ফাইবার, শস্য ও শাকসবজির বীজ, পাটকাঠি থেকে উৎপাদিত কার্বন, পাটজাত পণ্য, আলু, সাভারে চামড়া শিল্প নগরীতে স্থানান্তরিত শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদার, দেশে উৎপাদিত কাগজ ও কাগজজাতীয় দ্রব্য, আগর ও আতর, কৃষিপণ্য, গরু-মহিষের নাড়ি-ভুঁড়ি, শিং ও রগ (হাড় ছাড়া), হালকা প্রকৌশল পণ্য, হালাল মাংস, হিমায়িত চিংড়ি, একটিভ ফার্মাসিউটিক্যালস ইনগ্রিডাইয়েন্টস (এপিআই), সফটওয়্যার, আইটিইএস ও হার্ডওয়্যার, অ্যাকুমুলেটর ব্যাটারি, সিনথেটিক ও ফ্যাব্রিকস এবং মাছ রপ্তানিতে আগের মতোই নগদ সহায়তা অব্যাহত থাকবে। হোগলা, খড়, আখের ছোবড়া, গাছের পাতা, খোল ও গার্মেন্টসের ঝুট দিয়ে উৎপাদিত পণ্য এবং পেট বোটল ফ্লেক্স রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা মিলবে আগের মতোই ১০ শতাংশ।

এদিকে নগদ সহায়তার কেইস অডিট করা নিয়ে একই বিভাগ থেকে আরেকটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়, পূর্ববর্তী বছরগুলোর মতো চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরেও নগদ সহায়তার কেসসমূহ বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নিয়োজিত অডিট ফার্ম দ্বারা অডিট করানো যাবে। তবে অডিটকার্য দ্রুত সম্পাদনের লক্ষ্যে অতিরিক্ত ফার্ম নিয়োগের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে যৌক্তিকতা ও প্রয়োজনীয় তথ্যসহ অডিট ফার্মের সংখ্যা উল্লেখপূর্বক বাংলাদেশ ব্যাংক বরাবর আবেদন করতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা