kalerkantho

বুধবার । ১৫ আশ্বিন ১৪২৭ । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১২ সফর ১৪৪২

পুঁজিবাজারে দুর্বল কম্পানি পুনর্গঠনে একগুচ্ছ উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পুঁজিবাজারে দুর্বল কম্পানি পুনর্গঠনে একগুচ্ছ উদ্যোগ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুর্বল ‘জেড’ কাটাগরির কম্পানি পুনর্গঠনে একগুচ্ছ উদ্যোগ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। লোকসানে থাকা বা উৎপাদনে না থাকা এসব কম্পানি পুনর্গঠনে বিশেষ নিরীক্ষা পরিচালনা করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়ে বোর্ড পুনর্গঠন করবে কমিশন। তার পরও কম্পানির সার্বিক পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না হলে স্টক এক্সচেঞ্জ তালিকাচ্যুতিসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। গতকাল বৃহস্পতিবার কমিশনের নিয়মিত সভায় এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দুর্বল ‘জেড’ ক্যাটাগরির বিষয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, সব স্পন্সর ও বর্তমান পরিচালকদের ধারণকৃত শেয়ার বিক্রয়, হস্তান্তর, স্থানান্তর ও প্লেজ বন্ধ থাকবে; ‘জেট’ ক্যাটাগরিতে থাকা কম্পানিগুলোকে ছয় মাসের মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করতে হবে; সব ধরনের শেয়ারহোল্ডার মিটিং (এজিএম/ইজিএম) ই-ভোটিং/অনলাইনের সুবিধা প্রদানপূর্বক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অথবা হাইব্রিড সিস্টেমে করতে হবে; যেসব কম্পানি দুই বছর বা তদূর্ধ্ব সময় ধরে ‘জেট’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত সেসব কম্পানি ৪৫ কর্মদিবসের মধ্যে চলমান বোর্ড পুনর্গঠন করতে ব্যর্থ হলে বর্তমান পরিচালক ও স্পন্সররা অন্য কোনো তালিকাভুক্ত কম্পানি, পুঁজিবাজার মধ্যস্থতাকারী এবং পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট কোনো কম্পানির পরিচালক হিসেবে থাকতে পারবেন না।

যেসব কম্পানি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে যাবে : স্টক এক্সচেঞ্জের সেটলমেন্ট অব ট্রানজেকশন রেগুলেশন অনুযায়ী, পর পর দুই বছর কোনো নগদ লভ্যাংশ ও বার্ষিক সাধারণ সভা করতে ব্যর্থ হলে, ছয় মাস বা ততোধিক সময় উৎপাদন বা কার্যক্রম বন্ধ থাকলে; পর পর দুই বছর নিট কার্যকর লোকসান অথবা নেগেটিভ ক্যাশ ফ্লো অপারেশন থাকলে; পুঞ্জীভূত লোকসান তার পরিশোধিত মূলধনকে অতিক্রম করলে ও কোনো তালিকাভুক্ত কম্পানিকে সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গের জন্য কমিশনের অনুমতিক্রমে স্টক এক্সচেঞ্জ ‘জেট’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করতে পারবে। আর এসব কম্পানির শেয়ার সেটলমেন্ট কার্যক্রম টি+৩ সম্পন্ন হবে।

মীর আখতারের আইপিও : বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূলধন উত্তোলনে মীর আখতার হোসাইন লিমিটেডের বিডিংয়ের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। নির্মাণ সরঞ্জামাদি, যন্ত্রপাতি ক্রয়সহ ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংকঋণ পরিশোধ ও প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের খরচ মেটাতে ১২৫ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলন করবে কম্পানিটি।

প্রগতি লাইফ ইনস্যুরেন্সের রাইট শেয়ার : বীমা খাতের কম্পানি প্রগতি লাইফ ইনস্যুরেন্সের রাইট শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন পেয়েছে। কম্পানিটি ১ আর : ১ অনুপাত বা একটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি শেয়ার ইস্যু করতে পারবে। এতে করে এক কোটি ৫৩ লাখ ৫১ হাজার ৫৫১টি সাধারণ শেয়ার রাইট শেয়ার হিসেবে ইস্যুর মাধ্যমে ২৩ কোটি দুই লাখ ৭৩ হাজার ২৬৫ টাকা উত্তোলন করবে। কম্পানিটি পাঁচ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করেছে ১৫ টাকা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা