kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

কলকাতা থেকে চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে আগরতলা যাবে

চট্টগ্রাম বন্দরে ‘ট্রান্সশিপমেন্ট’ পণ্য আসছে ১৮ জুলাই

আসিফ সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম   

১৫ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চট্টগ্রাম বন্দরে ‘ট্রান্সশিপমেন্ট’ পণ্য আসছে ১৮ জুলাই

ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির আওতায় ভারতের কলকাতা বন্দর থেকে উপকূলীয় নৌপথে পণ্য নিয়ে প্রথম জাহাজটি আগামী ১৮ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছবে। বাংলাদেশ-ভারত ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির আওতায় চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ২০২০ সালের গত মার্চে পরীক্ষামূলক পণ্য পরিবহন শুরুর শিডিউল ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সেটি পিছিয়ে যায়। এখন সেটি আবার শুরু হলো। এর আগে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ট্রান্সশিপমেন্ট পণ্য সড়কপথে ভারত, নেপালে গেলেও চুক্তির অধীনে এটিই প্রথম উদ্যোগ।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় বলছে, ভারতের কলকাতা বন্দর থেকে বাংলাদেশি পতাকাবাহী ‘সেঁজুতি’ জাহাজ দুই কনটেইনার টিএমটি স্টিলবার এবং দুই কনটেইনার ডালজাতীয় পণ্য নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। এরপর জাহাজ থেকে স্টিলপণ্যগুলো ট্রাক/ট্রেইলরে করে চট্টগ্রাম-আখাউড়া-আগরতলা সড়কপথ হয়ে ভারতের ত্রিপুরা যাবে। আর ডালজাতীয় পণ্য ট্রাকে করে একই সড়কপথ ব্যবহার করে আগরতলা আইসিপি পর্যন্ত পৌঁছবে। কলকাতা থেকে চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে পণ্যগুলো ত্রিপুরায় পৌঁছানো পর্যন্ত বন্দর ও রেলপথে কী ধরনের সমস্যায় পড়ে তা দেখতে এই পরীক্ষামূলক উদ্যোগ। এরপর ত্রুটিগুলো উত্তরণ করে আনুষ্ঠানিক পণ্য পরিবহন শুরু হবে।

বাংলাদেশ-ভারত নৌ প্রটোকল কমিটির সদস্য শেখ মাহফুজ হামিদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘চুক্তির আওতায় পণ্য পরিবহনে দুই-তৃতীয়াংশ সময় ও অর্থের সাশ্রয় হবে।’

চট্টগ্রাম-কলকাতা রুটে নৌ রুটে নিয়মিত পণ্য পরিবহন করছে ম্যাঙ্গো লাইন। সেঁজুতি জাহাজের শিপিং এজেন্ট ম্যাঙ্গো লাইন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়াকুব সুজন ভূঁইয়া বলেন, ‘সেঁজুতি জাহাজটি চট্টগ্রাম থেকে ৩০/৩৬ ঘণ্টায় কলকাতা বন্দরে পৌঁছায়। চট্টগ্রাম থেকে ১৫৫ একক কনটেইনার নিয়ে জাহাজটি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলকাতা বন্দরের জেটিতে ভিড়বে। কনটেইনার নামিয়ে ফিরতি পথে ২০০ একক পণ্যভর্তি কনটেইনার নিয়ে আসবে; সঙ্গে চারটি ট্রান্সশিপমেন্ট পণ্য নিয়ে আসবে। জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছবে ১৮ জুলাই। নিয়মিত পণ্য পরিবহন করলেও ট্রান্সশিপমেন্ট পণ্য পরিবহন এই প্রথম। ফলে জাহাজটির কাস্টমস, বন্দরের অনুমতি নিয়ে জেটিতে ভিড়তে একাধিক দিন সময় লাগবে।’

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমরা অনেক আগে থেকেই ট্রান্সশিপমেন্ট পণ্য উঠানামার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা তো প্রতিদিন চার হাজারের বেশি কনটেইনার ডেলিভারি দিচ্ছি। সে অনুযায়ী এটি তো সামান্য। এরপর আমরা নজর রাখছি কতটা দ্রুত পণ্যছাড় দেওয়া যায়। আর নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিত মাসুলেই পণ্যছাড় হবে। পণ্যছাড়ের পর বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছানো কাস্টমসের কাজ।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা