kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৪ আগস্ট ২০২০ । ২৩ জিলহজ ১৪৪১

অগ্রগতি ৩০ শতাংশ

করোনায়ও রূপপুরে থেমে নেই কর্মযজ্ঞ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনায়ও রূপপুরে থেমে নেই কর্মযজ্ঞ

করোনাভাইরাসের মধ্যে বেশ কয়েকটি ‘মেগাপ্রকল্পের’ অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হলেও রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণকাজের ৩০ শতাংশ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। ২০২৩ সালে প্রকল্পটি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্প থেকে সময়মতো বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে আট হাজারের মতো জনবল এখন এ প্রকল্পে কাজ করছে, যার মধ্যে বিদেশি জনবল রয়েছে প্রায় দুই হাজার।

প্রকল্পের পরিচালক ড. শৌকত আকবর গণমাধ্যমকে জানান, ‘এক লাখ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের এ প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে বিদেশি জনবলও বৃদ্ধি করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে আমরা কাজের গতি আগের চেয়ে বাড়িয়েছি। রিঅ্যাক্টর ভবনের নির্মাণকাজ এগিয়ে আছে। সব শিডিউল মতোই চলছে। নির্মাণকাজের ৩০ শতাংশের পাশাপাশি প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ২৭ শতাংশ।’

সরকার আশা করছে, ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়া সম্ভব হবে। পরের বছর চালু হবে সমান ক্ষমতার দ্বিতীয় ইউনিট।

রূপপুর প্রকল্প এলাকায় এক হাজার ৬২ একর জমির ওপর চলছে বিপুল কর্মযজ্ঞ। রুশ সহায়তায় এ প্রকল্পে দুই ইউনিট মিলিয়ে ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার (এক লাখ এক হাজার ২০০ কোটি টাকা)। আট হাজারের মতো জনবল এখন এ প্রকল্পে কাজ করছে, যার মধ্যে ১৮০০ জন রাশিয়ানসহ বিদেশি জনবল রয়েছে প্রায় দুই হাজার।

করোনার মধ্যেও কিভাবে এগিয়ে চলছে এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক শৌকত আকবর বলেন, তিন রকম পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। কাজে যোগ দেওয়ার আগে প্রতিদিন তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে। কারো তাপমাত্রা বেশি থাকলে সাত দিনের জন্য বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হচ্ছে। এরপর আবার পরীক্ষা করে সুস্থ মনে হলে তাঁকে কাজে যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। সামাজিক দূরত্বের নিয়ম মানতে ২৪ ঘণ্টার জন্য সূচি করে কর্মীদের আলাদা গ্রুপ করে দেওয়া হয়েছে এবং ক্যান্টিনে বসে খাওয়ার ক্ষেত্রেও দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা