kalerkantho

রবিবার। ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭। ৯ আগস্ট ২০২০ । ১৮ জিলহজ ১৪৪১

রাজস্ব আয় অর্ধেকে নেমেছে বেনাপোলে

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি   

৭ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল কাস্টম হাউসে ২০১৯-২০ অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই-মে) রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ধস নেমেছে। কাস্টম হাউসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে তিন হাজার ৭০ কোটি ১২ লাখ টাকা কম আদায় হয়েছে। করোনার কারণে ভারতের সঙ্গে টানা আড়াই মাস আমদানি বন্ধ থাকায় রাজস্ব আহরণ নেমে যায় অর্ধেকে।

কাস্টম সূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের ওপর ছয় হাজার ২৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয় বেনাপোল কাস্টম হাউসকে। একই অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয় পাঁচ হাজার ৬০৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। কিন্তু এ সময়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আদায় করে মাত্র দুই হাজার ৫৩৬ কোটি ৬৩ লাখ  টাকা। এখানে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে তিন হাজার ৭০ কোটি  ১২ লাখ টাকা। এ সময় ভারত থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ১৭ লাখ ৭৮ হাজার ৬২৮ মেট্রিক টন পণ্য।

এর আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টম হাউসে এক হাজার ১৪৫ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি ছিল। ওই সময়ে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল পাঁচ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা। আদায় হয়েছিল চার হাজার ৪০ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল চার হাজার ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। আদায় হয়েছিল চার হাজার ১৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা। সেবারও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রাজস্ব ঘাটতি ছিল ১৭৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, আড়াই মাস এ পথে আমদানি বন্ধ ছিল। এ ছাড়া আমদানি পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে রাজস্ব ঘাটতি আরো বেশি হয়েছে। এ পথে রাজস্ব আয় বাড়াতে হলে বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন বাড়ানো ও হয়রানিমুক্ত করতে হবে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান জানান, পণ্য ছাড়করণের ক্ষেত্রে বৈধ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত না হওয়ায় আমদানি কমে যাওয়া একটি কারণ। এতে রাজস্ব দিন দিন ঘাটতি হচ্ছে। পণ্য দ্রুত খালাসসহ ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ালে রাজস্ব আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দ্বিগুণ হওয়া সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা