kalerkantho

রবিবার। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৭ জুন ২০২০। ১৪ শাওয়াল ১৪৪১

ইডিএফ থেকে ৩ কোটি ডলার ঋণ পাবেন পোশাক রপ্তানিকারকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ইডিএফ থেকে ৩ কোটি ডলার ঋণ পাবেন পোশাক রপ্তানিকারকরা

তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক ও বস্ত্র শিল্প মালিকদের জন্য রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) ঋণের সীমা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে বিজিএমইএ এবং বিটিএমএর সদস্যরা এই তহবিল থেকে সর্বোচ্চ তিন কোটি ডলার ঋণ নিতে পারবেন। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সুবিধা পাওয়া যাবে। এত দিন এই সীমা ছিল আড়াই কোটি ডলার। গতকাল রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এসংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়।

রপ্তানি খাতে সহায়তা দিতে ১৯৮৯ সালে মাত্র তিন কোটি ডলার দিয়ে ইডিএফের যাত্রা শুরু হয়। দফায় দফায় বাড়িয়ে এই তহবিলের পরিমাণ এখন ৫০০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

করোনাভাইরাসের অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবেলায় সর্বশেষ গত ৭ এপ্রিল ইডিএফের আকার ৩৫০ কোটি ডলার থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি ডলারে উন্নীত করা হয়। শুধু তহবিলের আকারে নয়, এ তহবিলের সুদের হারও কমিয়ে ২ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। ১ এপ্রিল থেকে এই সুবিধা কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। বিজিএমইএ, বিটিএমইএ সদস্যরা ছাড়াও চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, ওষুধসহ বিভিন্ন খাতের রপ্তানিকারকরা এই তহবিল থেকে ঋণসুবিধা পেয়ে থাকেন।

পর্ষদ সভায় সীমিতসংখ্যক পরিচালক সরাসরি অংশ নিতে পারবেন : এখন থেকে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ, নির্বাহী কমিটি, অডিট কমিটি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সীমিতসংখ্যক সদস্য সরাসরি অংশ নিতে পারবেন। অবশিষ্ট সদস্যরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় অংশ্রহণ করবেন। তবে ব্যাংক নিজস্ব বিবেচনায় তাদের সভা সম্পূর্ণভাবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেও সম্পাদন করতে পারবে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক পরিচালকও যথানিয়মে সম্মানী পাবেন। গতকাল রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এসংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে। 

জানা যায়, করোনাভাইরাসের কারণে ব্যাংকের পরিচালকদের সশরীরে উপস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় গত ২৩ মার্চ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এসংক্রান্ত সব সভা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আয়োজনের পরামর্শ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ বিষয়ে সার্কুলারে বলা হয়েছে, অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিতকরণের লক্ষ্যে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতের মতো ব্যাংকিং কর্মকাণ্ড গতিশীল করার আবশ্যকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। সীমিত ব্যাংকিং কার্যক্রম ধীরে ধীরে প্রত্যাহারপূর্বক স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তা ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় কভিড ১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাংক ও অর্থিক প্রতিষ্ঠানে অধিকতর সতর্কতা ও সুরক্ষার লক্ষ্যে ব্যাংকের জন্য প্রযোজ্য ১৩টি অনুসরণীয় নীতিমালা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য পরামর্শ প্রদান করেছে।

২৮ মের পর প্রণোদনা ভাতা পাবেন না ব্যাংকাররা : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান সাধারণ ছুটির সময় যেসব ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী সশরীরে উপস্থিত থেকে অফিস করছেন তাঁদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা ভাতা ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগামী ২৮ মের পর থেকে এ প্রণোদনা ভাতা আর পাবেন না তাঁরা। তবে ২৯ মে থেকে সশরীরে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যাংকের নিজস্ব নীতিমালার আওতায় যাতায়াত ভাতা পাবেন। গতকাল রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এসংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা