kalerkantho

রবিবার । ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩১  মে ২০২০। ৭ শাওয়াল ১৪৪১

ক্রেতা সংকটে ক্ষতির মুখে তরমুজ চাষিরা

সজীব আহমেদ   

৯ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্রেতা সংকটে ক্ষতির মুখে তরমুজ চাষিরা

করোনাভাইরাসের কারণে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন দেশের তরমুজ চাষিরা। তরমুজের ভরা মৌসুম হলেও বিক্রি করতে না পারায় লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষিদের। করোনার লকডাউনের কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া চাষিরা। পাইকার নেই। স্থানীয় বাজারেও তা উঠাতে পারছেন না লকডাউনের কারণে। কেউ কেউ বাজারে নিয়ে গেলেও ক্রেতা সংকটে আবার বাড়িতে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তাঁরা।

চাষিরা জানান, মৌসুমের এ সময়টায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা এসে তরমুজ কেনার জন্য তাঁদের বাড়িতে ভিড় জমাতেন। অথচ করোনার কারণে এখন একজন ক্রেতাও পাওয়া যাচ্ছে না। কৃষকের কাছে তরমুজ কিনতে আসা তো দূরে থাক, তাঁদের খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। উপায়ান্তর না পেয়ে তরমুজ চাষিরা নিজেরাই কোনোমতে ঢাকায় নিয়ে এসে পাইকারদের কাছে নামমাত্র মূল্যে তরমুজ বিক্রি করছেন। এতে ছোট-বড় প্রতিটি তরমুজের দাম ধরা হয় ৩০-৪০ টাকা করে। তবে মাঝারি আকারের একটি তরমুজ ঢাকার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কিনতে সাধারণ ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকারও বেশি। কৃষকদের কাছ থেকে কম দামে কিনেও রাজধানীর ব্যবসায়ীরা বিক্রি করছে এমন চড়া দামে। ফলে ভোগান্তির রেশটা কৃষকের কাঁধেই রয়ে যায়।

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে চাষিরা তরমুজ নিয়ে এসে রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ওয়াইজঘাটে নৌকায় সারি সারিভাবে সাজিয়ে রেখেছেন। সেখানেই কথা হয় বরিশালের ভোলা জেলার তরমুজ চাষি ইউসুফ ফরাজীর সঙ্গে। তিনি এলাকায় কোনো পাইকার না পেয়ে তিন হাজার তরমুজ নিয়ে হাজির হয়েছেন সদরঘাট এলাকায়। তিনি বলেন, ‘আমি খুব লোকসানের মধ্যে আছি। যে তরমুজের দাম ১৫০-২০০ টাকা, সেই তরমুজ বিক্রি করতে হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। অথচ চাষাবাদ থেকে শুরু করে প্রতিটি তরমুজের পেছনে খরচ পড়েছে ১০০ টাকা।’ এ নিয়ে তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।

জানা যায়, নভেম্বর মাস থেকে ডিসেম্বরে তরমুজের চাষাবাদ শুরু হয়। গাছে ফলন ধরা থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে তরমুজ পরিপক্ব হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা