kalerkantho

রবিবার । ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩১  মে ২০২০। ৭ শাওয়াল ১৪৪১

বিভিন্ন বন্দরে আটকা ৫০০ জাহাজ, জরুরি খালাসের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিভিন্ন বন্দরে আটকা ৫০০ জাহাজ, জরুরি খালাসের দাবি

দেশের বিভিন্ন বন্দর ও নৌ বন্দরগুলোতে নির্মাণশিল্প খাতের বিভিন্ন কাঁচামাল নিয়ে আটকা পড়ে আছে বেশ কিছু মাদার ভেসেল ও লাইটার ভেসেল। শিগগিরই এসব ভেসেল খালাস করা না গেলে দেশের প্রয়োজনীয় বা জরুরি মুহূর্তে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যসামগ্রী নদী বা সাগরপথে বহন করার জন্য সংকটের আঙ্ককা করছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) প্রভাবে সারা বিশ্বের পাশাপাশি বাংলাদেশও স্থবির হয়ে পড়েছে। এই কারণে দেশের বিভিন্ন বন্দর ও নৌবন্দরগুলোতে নির্মাণশিল্প খাতের বিভিন্ন কাঁচামাল নিয়ে আটকে আছে বেশ কিছু মাদার ভেসেল ও পাঁচ শতাধিক লাইটার ভেসেল।

অ্যাসোসিয়েশনের পাঠানো বার্তায় বলা হয়, বিভিন্নমুখী বাধার কারণে এসব মাদার ভেসেল ও লাইটার ভেসেল থেকে কাঁচামালগুলো খালাস করা যাচ্ছে না। একদিকে প্রশাসনিক বাধা, অন্যদিকে খালাসি শ্রমিকের সংকটে এসব মাদার ভেসেল ও লাইটার ভেসেলে অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে কয়েক লাখ টন কাঁচামাল।

ভেসেলগুলো খালি না করা গেলে দেশের প্রয়োজনীয় বা জরুরি মুহূর্তে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যসামগ্রী নদী বা সাগরপথে বহন করার জন্য মাদার ভেসেল বা লাইটার ভেসেলের অভাব দেখা দিতে পারে। উদ্যোক্তারা বলছেন, অবিলম্বে এই ভেসেলগুলো থেকে কাঁচামাল খালাস করে এগুলো দেশের প্রয়োজনে জরুরি পণ্যসামগ্রী বহনের জন্য প্রস্তুত রাখা উচিত।

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আলমগীর কবির বলেন, ‘শুধু শিল্পের কথা চিন্তা করে নয়, দেশের প্রয়োজনীয় মুহূর্তে যাতে মাদার ভেসেল ও লাইটার ভেসেলগুলো ব্যবহার করা যায় সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কর্তৃপক্ষের উচিত আটকে পরা ভেসেলগুলো থেকে কাঁচামাল খালাসের সুযোগ করে দেওয়া।’

আলমগীর আরো বলেন, ‘এসব মাল খালাস করার জন্য সরকারের সহযোগিতা দরকার। এ ক্ষেত্রে সরকারের সব স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সেই কাঁচামাল খালাসের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারব বলে আশা করছি।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা