kalerkantho

বুধবার । ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩ জুন ২০২০। ১০ শাওয়াল ১৪৪১

বাজেট প্রস্তাব

কর ছাড়, কিস্তিতে কর শোধের প্রস্তাব সিপিডির

ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তার (এসএমই) কর মওকুফ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সুদহারে ছাড় দিয়ে ঋণের ব্যবস্থার সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কর ছাড়, কিস্তিতে কর শোধের প্রস্তাব সিপিডির

নভেল করোনাভাইরাসের বিরূপ প্রভাব থেকে অর্থনীতি রক্ষায় আগামী বাজেটে করপোরেট কর কিস্তিতে পরিশোধ ও কর মওকুফের সুযোগ রাখাসহ একগুচ্ছ সুপারিশ করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)। ২০২০-২১ অর্থবছরের আসন্ন বাজেট সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটি একটি লিখিত প্রস্তাবনা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের কাছে পাঠিয়েছে।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রভাবের কারণে এ বছর এনবিআরের সঙ্গে যে নিয়মিত আলোচনা, তা করা যাচ্ছে না। সব কিছুই স্থবির। তবে আমরা আমাদের পক্ষ থেকে বাজেটের জন্য প্রস্তাবনা তৈরি করেছি। আমরা মনে করি, এর ভিত্তিতেই এনবিআর এবং অর্থ মন্ত্রণালয় বাজেট প্রণয়নে তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।’

ওই প্রস্তাবনার একটি অনুলিপি থেকে দেখা যায়, বিশেষ করে ৫০ লাখ থেকে এক কোটি টাকার মধ্যে যাদের বার্ষিক লেনদেন, সেসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কুটির শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তার (এসএমই) কর মওকুফ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সুদহারে ছাড় দিয়ে ঋণের ব্যবস্থার সুপারিশ করেছে সিপিডি।

ফার্মাসিউটিক্যালস কম্পানি, হাসপাতাল, রোগ নির্ণয় ও প্রতিষেধক তৈরির কম্পানিকেও চলতি বছরের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশেষ কর সুবিধার আওতায় আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘যেসব ডাক্তার, নার্স এবং হাসপাতালের স্টাফ করোনা রোগীর চিকিৎসা দিচ্ছেন, তাঁদের জন্য একটি বিশেষ বোনাস প্যাকেজ অথবা তাঁদের আয়করে আগামী অর্থবছরে বিশেষ ছাড়ের সুবিধা দিতে পারে।’

এ ছাড়া করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে বা রোগীর সাহায্যে যাঁরা অর্থ অনুদান বা দান করবেন সেই অর্থও আগামী অর্থবছরে করমুক্ত রাখার সুপারিশ করেছে সিপিডি।

সুপারিশের মধ্যে আরো রয়েছে, আগামী অর্থবছরের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা আড়াই লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখে উন্নীত করা; আয়করের প্রথম তিন ধাপ ১০, ১৫ ও ২০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ কমিয়ে ৫, ১০ ও ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা। পরবর্তী দুই বাজেটে এই সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সিপিডি। তার সঙ্গে এ বছরের আয়কর দেওয়ার সময় ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত (সাধারণত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় থাকে) বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আমদানিনির্ভর খাদ্য, যেমন পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও তেল আমদানির শুল্ক কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা