kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৯  মে ২০২০। ৫ শাওয়াল ১৪৪১

করোনায় অর্থনৈতিক পরামর্শ

স্বল্প আয়ের মানুষের কর্মসংস্থান ঠিক রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ

মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, সাবেক চেয়ারম্যান, এনবিআর

বাণিজ্য ডেস্ক   

২৬ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্বল্প আয়ের মানুষের কর্মসংস্থান ঠিক রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এর ভয়াল রূপ দেখছে আক্রান্ত দেশগুলো। বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের তালিকাও। এ অবস্থায় শিগগিরই বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। তবে আগাম সতর্কতা হিসেবে কিছু পদক্ষেপ নিলে এই মন্দা মোকাবেলা করা সম্ভব বলে মত দিচ্ছেন কেউ কেউ।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া দেশের আসন্ন অর্থনীতি সংকট মোকাবেলায় নীতিনির্ধারকদের জন্য তেমন কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি মনে করেন বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কায় এখনই এ বিষয়ে আমাদের সতর্ক হওয়া দরকার। গতকাল ফেসবুকে নিজের ওয়ালে তিনি এসব পরামর্শ তুলে ধরেন।

এগুলো হলো—

►        গার্মেন্টসসহ সব শিল্প-কারখানার উৎপাদন চালু রাখতে হবে। অন্যথায় শ্রমিক বেকার হলে ঝুঁকি আরো বাড়বে।

►        বাজারে পণ্যের চাহিদা ও সরবরাহ ঠিক রাখতে হবে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ৪ এপ্রিলের পর আর বন্ধ রাখা যাবে না। কর্মচারী বেকার হলে ভোক্তা চাহিদা বাড়বে না। চাহিদা না থাকলে উৎপাদন হবে না।

►        সরকারি অফিসের প্রশাসনিক ও আনুষঙ্গিক ব্যয় কমানো যেতে পারে, তবে প্রকল্প ব্যয় কমানো যাবে না। মন্দার সময় সরকারি ব্যয় ঠিক থাকলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ঠিক থাকে।

►        হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক সুরক্ষার বাজেট বাড়িয়ে দিতে হবে।

►        ব্যাংক সুদহার ৯-৬ করার বিষয়টি প্রয়োজনে কিছুদিন স্থগিত রাখতে হবে। কোনো কারণে কোনো ব্যাংক যাতে লোকসানি হয়ে বন্ধ না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

►        এ বছর রাজস্ব সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা ব্যাপক কমে যেতে পারে। সে জন্য বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি বা যেকোনো উন্নয়ন সহযোগীর সঙ্গে নেগোশিয়েট করে বাজেট সাপোর্ট চাওয়া যেতে পারে।

►        সরকারি অফিস বন্ধ রাখা ৪ এপ্রিলের পর বর্ধিত করা ঠিক  হবে না।

মোট কথা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ঠিক রাখা ও স্বল্প আয়ের মানুষের কর্মসংস্থান ঠিক রাখা এখন আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা