kalerkantho

সোমবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১০ সফর ১৪৪২

ডিজিটাল অর্থনীতিতে বিনিয়োগসহ তিন দফায় জোর দেবে বাংলাদেশ

ঢাকায় টিকফার পঞ্চম বৈঠক ৫ মার্চ

এম সায়েম টিপু   

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কো-অপারেশন ফোরাম অ্যাগ্রিমেন্টের (টিকফা) পঞ্চম বৈঠক আগামী ৫ মার্চ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। আসন্ন এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বাংলাদেশ এবার মূলত তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দেবে। এগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা, বাংলাদেশের পণ্যের নায্য দাম এবং কারিগরি সহযোগিতা চাইবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডাব্লিউটিও) সেল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তবে প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত এজেন্ডা অনুযায়ী, এবারের টিকফা বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ডিজিটাল অর্থনীতিতে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, কাস্টমস অ্যান্ড সম্পূরক শুল্ক ডিউটিসহ সমুদ্রসম্পদ আহরণে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চাওয়া হতে পারে। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বিনিয়োগ পরিবেশ, ব্যবসা সহজীকরণ, মার্কেট অ্যাকসেস, ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণ, মেধাস্বত্ব, ডিজিটাল ইকোনমি, আঞ্চলিক যোগাযোগ, জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়ন, সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা এবং শ্রমসহ বিভিন্ন বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলেন, বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বেশ ভালো। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ২০১৩ সালে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তখন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ছিল পাঁচ বিলিয়ন ডলারের ওপরে। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ বিলিয়ন ডলার। এখন পর্যন্ত টিকফার চারটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকগুলোতে মূলত শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা, মেধাস্বত্ব অধিকার আইন (আইপিআর) ও কমপ্লায়েন্সের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এ বিষয়ে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচ্যাম) সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘শ্রমিকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার বিষয়ে বাংলাদেশ বেশ অগ্রগতি অর্জন করেছে। কিন্তু আইপিআরে আমরা এখনো কিছুটা পিছিয়ে আছি। তবে আইপিআর ও কমপ্লায়েন্সের ইস্যুগুলোতে আমরা যদি আরো জোর দিই, তাহলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য সম্পর্ক আরো জোরদার হবে।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সেলের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, টিকফার মূল উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো। বাংলাদেশের সমুদ্রসম্পদ আহরণে যুক্তরাষ্ট্রের বড় অঙ্কের বিনিয়োগ প্রয়োজন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এবার বাংলাদেশ তিন দফায় জোর দেবে, বিশেষ করে পণ্যের নায্য দাম, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অগ্রাধিকার সুবিধা ও শুল্কমুক্ত সুবিধা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা