kalerkantho

ইআরডির কর্মশালায় তথ্য

এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এফটিএ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইউরোপসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে এখনই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করার সময় আসেনি। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হওয়ার পরই বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করা যেতে পারে বলে মনে করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)। ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশ যেহেতু এখন পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়, তাই এখনই সময় আসেনি ওই সব দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি করার। গতকাল বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলানগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নাজিয়া-সালমা কনফারেন্স হলে ইআরডি আয়োজিত ‘ইফেকটিভ পার্টনারশিপ উইথ মিডিয়া ফর সাসটেইনেবল গ্র্যাজুয়েশন’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়। উন্নয়ন সাংবাদিকদের সংগঠন ‘ডেভেলপমেন্ট জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ’ (ডিজেএফবি) এর জন্য এই কর্মশালার আয়োজন করে ইআরডি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইআরডির সচিব মনোয়ার আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইআরডির সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুল আজম।

মূল প্রবন্ধে ইআরডির যুগ্ম সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পৌঁছানোর পর বাণিজ্য ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুবিধা কমে যাবে বাংলাদেশের জন্য। স্বল্প সুদে বৈদেশিক ঋণ কমে যাবে। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় বাংলাদেশের চাঁদার হার বেড়ে যাবে। তবে ইতিবাচক দিকও রয়েছে। উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলে দেশ ও জাতির সম্মান বাড়বে। বাংলাদেশ সম্পর্কে বহির্বিশ্বে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হবে। ভালো ক্রেডিট রেটিং অর্জন সম্ভব হবে। এতে করে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক বিনিয়োগের প্রেক্ষাপটে বৈদেশিক ঋণপ্রাপ্তির উৎসও বাড়বে। সংখ্যা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে। এসব সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা সহজ হবে। কাজী শফিকুল আযম বলেন, নেপালের সঙ্গে এফটিএ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এফটিএ করার বিষয়ে নেগোসিয়েশন করা হচ্ছে। ইআরডির পরামর্শক নেসার আহমেদ জানান, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হওয়ার পরই কেবল এফটিএ হতে পারে। এর আগে এফটিএ হলে বাংলাদেশকেও সমান সুযোগ দিতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা