kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩০ আষাঢ় ১৪২৭। ১৪ জুলাই ২০২০। ২২ জিলকদ ১৪৪১

মতবিনিময়সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী

জনশুমারির উপকরণ কেনাকাটায় সাবধানতা অবলম্বনের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জনশুমারির উপকরণ কেনাকাটায় সাবধানতা অবলম্বনের নির্দেশ

আগামী বছর ২ থেকে ৮ জানুয়ারি দেশব্যাপী অনুষ্ঠিতব্য জনশুমারির আগে যেসব উপকরণ কেনা হবে, সেসব উপকরণ কেনাকাটা করার সময় সাবধানতা অবলম্বন করার নির্দেশ দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেছেন, জনশুমারি প্রকল্পের ক্রয়কাজে যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম না হয়, সেদিকে সর্বোচ্চ নজর দিতে হবে। জনশুমারি নিয়ে যাতে কোনো প্রশ্ন শুনতে না হয়। দেশব্যাপী ষষ্ঠ জনশুমারির কাজ যাতে নিখুঁত ও গুণগত মান ঠিক রেখে করা হয়, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে (বিবিএস) সেই নির্দেশনাও দেন মন্ত্রী। গতকাল সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলানগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে ঢাকা বিভাগের জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে এক মতবিনিময়সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিবিএস আয়োজিত মতবিনিময়সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্ত্তী, বিবিএস মহাপরিচালক তাজুল ইসলাম, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনশুমারি প্রকল্পের পরিচালক জাহিদুল হক সরদার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত যত জনশুমারি হয়েছিল, সেগুলো নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। সামনের জনশুমারি নিয়ে অনিয়মের কথা শুনতে চাই না। প্রশ্নের মুখেও পড়তে চাই না। এবারের জনশুমারির মাধ্যমে যাতে সঠিক খবর উঠে আসে তা নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘নিজের শরীর ঠিক রাখতে আমরা যেমন মাঝেমধ্যে স্বাস্থ্য চেকআপ করি, তেমনি দেশের অবস্থা বুঝতে প্রতি ১০ বছর পর পর এই জনশুমারি পরিচালনা করা হয়। তাই মাথা গুনতির এ আয়োজন মানসম্মত হতে হবে। জনশুমারি প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশের যেকোনো নীতি কৌশল প্রণয়নের ক্ষেত্রে এই প্রকল্পের আওতায় পাওয়া তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গত বছর ২৯ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এক হাজার ৭৬১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে জনশুমারি প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, অন্যবারের চেয়ে এবার মাঠপর্যায়ে গণনাকারীদের সম্মানী চার গুণ বেশি দেওয়া হবে। তবে গণনাকারীরা যাতে তাদের সম্মানী সঠিক সময়ে পায় সেটি নিশ্চিত করতে হবে।’ মূল প্রবন্ধে প্রকল্প পরিচালক জাহিদুল হক সরদার বলেন, এবারের শুমারিতে প্রথমবারের মতো মাল্টিমোড বা মোবাইল অ্যাপ, ওয়েব অ্যাপ পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিক এবং বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের নাগরিকদেরও গণনায় আনা হবে।

সভায় পরিসংখ্যান বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্ত্তী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতে বিবিএস এবারের জনশুমারি পরিচালনা করবে। তিনি বলেন, স্যাটেলাইট ইমেজের মাধ্যমে ষষ্ঠ ডিজিটাল জনশুমারি করা হবে। এ পদ্ধতিতে দেশের একটি খানাও বাদ পড়বে না বলে জানান সচিব।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা