kalerkantho

সোমবার । ২৩ চৈত্র ১৪২৬। ৬ এপ্রিল ২০২০। ১১ শাবান ১৪৪১

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট

অপ্রচলিত মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে ৩ প্রকল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট অপ্রচলিত মৎস্যসম্পদ (কাঁকড়া, কুঁচিয়া, শামুক, ঝিনুক, সিউইড ইত্যাদি) উন্নয়নে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। চলমান এসব প্রকল্প হলো, সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা জোরদারকরণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন, সিউইড চাষ ও মূল্য সংযোজিত পণ্য উৎপাদন এবং শামুক-ঝিনুকের চাষ ও সংরক্ষণ। এ ছাড়া ইনস্টিটিউটের আওতায় ঝিনুকে মুক্তা উৎপাদন ও কাঁকড়া ও কুঁচিয়ার প্রজনন ও চাষ শীর্ষক দুটি উন্নয়ন প্রকল্প সম্প্রতি সমাপ্ত হয়েছে।

ইনস্টিটিউট থেকে পরিচালিত গবেষণায় কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে এ পর্যন্ত ১৩২ প্রজাতির সিউইড (সামুদ্রিক শৈবাল) শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ প্রজাতির সিউইড বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় দেখা গেছে, এসব সিউইড উন্নত খাদ্যমান ও ঔষধি গুণসম্পন্ন এবং প্রাকৃতিক মিনারেল সমৃদ্ধ, যা মানুষের শারীরিক ও মানসিক গঠনে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। ইনস্টিটিউট তিন প্রজাতির সিউইড চাষ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, যা এরই মধ্যে মৎস্য অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, ‘অপ্রচলিত মৎস্যসম্পদ আমাদের দেশে খাবার হিসেবে জনপ্রিয় না হলেও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এর প্রচুর চাহিদা ও মূল্য রয়েছে। এ বিবেচনায় সম্প্রতি অপ্রচলিত মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে গবেষণা জোরদার করা হয়েছে। এতে দেশে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা