kalerkantho

অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে অনুমোদন

কোটি টাকার পাজেরো পাচ্ছেন ইউএনওরা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কোটি টাকার পাজেরো পাচ্ছেন ইউএনওরা

সরকারি ও দাপ্তরিক কাজে ব্যবহারের জন্য প্রায় কোটি টাকা মূল্যের পাজেরো স্পোর্টস কিউ এক্স জিপ গাড়ি পাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও)। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড থেকে ৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০টি গাড়ি কেনার অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে কমিটির বৈঠকে এসংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক। দুটি বৈঠকেই সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের সামনে অনুমোদিত বিষয়গুলোর নানা তথ্য তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের জন্য ৫০টি জিপ গাড়ি কেনার একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এসব গাড়ি কেনা হবে।

গাড়ির দাম কত জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী কোনো মন্তব্য করেননি। তবে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপিত প্রস্তাবে প্রতিটি গাড়ি কিনতে ৯৪ লাখ টাকা ব্যয় হবে বলে উল্লেখ করা হয়। প্রস্তাবনায় বলা হয়, পুরনো জিপগুলোর আয়ুষ্কাল শেষ হওয়ায় তা মেরামত করে প্রশাসনিক ও দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করতে সমস্যা হচ্ছে। তা ছাড়া উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৫০টি জিপ গ্রাড়ি কেনা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তাই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের জন্য ৫০টি পাজেরো স্পোর্টস কিউ এক্স জিপ কেনা হবে। ট্যাক্স ও ভ্যাট মিলিয়ে প্রতিটি গাড়ির দাম হবে ৯৪ লাখ টাকা। সে হিসেবে ৫০টি গাড়ির দাম ৪৭ কোটি টাকা।

বৈঠকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় এলইডি সড়কবাতি সরবরাহ ও স্থাপনে একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, এতে ব্যয় হবে ৩৬৯ কোটি ১৪ লাখ টাকা।

বৈঠকে জরুরি প্রয়োজনে পাঁচ বছরে ১৫ লাখ পারসোনালাইজড ডুয়াল ইন্টারফেস পলিকার্বনেট মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স ক্রয়ের প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় হবে প্রায় ১৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা। মহেশখালী, মাতারবাড়ী এবং বাঁশখালী এলাকায় নির্মিতব্য কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য একটি ট্রান্সমিশন লাইন স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

এরপর অনুষ্ঠিত হয় ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক। ওই বৈঠকে রাশিয়া থেকে এক লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৮০৬ কোটি ৭৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। এ ছাড়া বৈঠকে আরো ছয়টি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা