kalerkantho

শনিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে দৈনিক লেনদেন ১২৬৪ কোটি টাকা

নভেম্বরে বেড়েছে প্রায় ৪%

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মোবাইল ব্যাংকিংয়ে দৈনিক লেনদেন ১২৬৪ কোটি টাকা

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে তাত্ক্ষণিক শহর থেকে গ্রামে, গ্রাম থেকে শহর—সর্বত্রই টাকা পাঠানো যায়। এতে প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ এ সেবায় যুক্ত হচ্ছে। ফলে গ্রাহকের সঙ্গে লেনদেনের পরিমাণও বাড়ছে। নভেম্বরে দৈনিক লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৪ শতাংশ।

সব শেষ গত নভেম্বর মাস শেষে মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসেসের গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাত কোটি ৮৫ লাখ ৯৪ হাজার। এর মধ্যে সক্রিয় হিসাব তিন কোটি ৫০ লাখ। আগের মাস অক্টোবরে গ্রাহকসংখ্যা ছিল সাত কোটি ৭৩ লাখ ৯৫ হাজার ও সক্রিয় গ্রাহক ছিল দুই কোটি ৯০ লাখ। 

বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে মোট ১৬টি ব্যাংক। এ সময় মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ৬৫ হাজার ৪৭১ জনে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অর্থ আদান-প্রদানই নয়, যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন সেবাও। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির বিল অর্থাৎ সেবামূল্য পরিশোধ, কেনাকাটার বিল পরিশোধ, বেতন-ভাতা প্রদান, বিদেশ থেকে টাকা পাঠানো অর্থাৎ রেমিট্যান্স প্রেরণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সেবা দেওয়া হচ্ছে। ফলে সার্বিক লেনদেনও বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত নভেম্বরে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৭ হাজার ৯১৮ কোটি টাকা। আর দৈনিক লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২৬৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, যা আগের মাসের চেয়ে ৩.৮০ শতাংশ বেশি। অক্টোবরে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ছিল এক হাজার ২১৮ কোটি ১৫ লাখ টাকা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নভেম্বরে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবগুলোতে টাকা জমা পড়েছে ১৩ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা, যা আগের মাসের চেয়ে ১.৬ শতাংশ কম। এ মাসে উত্তোলন হয়েছে ১২ হাজার ৬৯৭ কোটি টাকা, যা অক্টোবরের তুলনায় ০.৪ শতাংশ বেশি। এ মাসে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৮৭০ কোটি টাকার বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে; যা আগের মাসের তুলনায় বেড়েছে ১.১ শতাংশ। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আওতায় রেমিট্যান্স এসেছে ২৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা; যা অক্টোবর মাসে ছিল ২৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। ফলে এক মাসের ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৫.২ শতাংশ। এ সময় মার্চেন্ট পেমেন্ট (কেনাকাটার বিল) করা হয়েছে ৪৩৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা; যা আগের মাসের চেয়ে ৬.৫ শতাংশ বেশি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা