kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

বিপুল আমদানির অনুমতি পেঁয়াজ আসছে সামান্যই

♦ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ৫৭ দিনে চাহিদার মাত্র ৩ দিনের পেঁয়াজ এসেছে
♦ অনুমতিপত্র (আইপি) নিয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৪৩৪ মেট্রিক টন

এম সায়েম টিপু   

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিপুল আমদানির অনুমতি পেঁয়াজ আসছে সামান্যই

পেঁয়াজের বাজারের অস্থিরতা কমছে না। আড়াই মাস ধরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কোনো কৌশলেই বাজার স্থিতিশীল করতে পারেনি। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ানো না গেলে স্বাভাবিক হবে না বাজার। যদিও বিপুল আমদানির অনুমতি নিয়ে পেঁয়াজ আসছে সামান্য। দেশে প্রতিদিন ছয় থেকে সাত হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে।

সেখানে গত ১২ অক্টোবর থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫৭ দিনে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ১৭ হাজার ৫৯০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে, যা দিয়ে দেশের তিন দিনের পেঁয়াজের চাহিদা মেটানো সম্ভব।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা যায়, গত ১২ অক্টোবর থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫৭ দিনে এক লাখ তিন হাজার ৪৩৪ মেট্রিক টনের অনুমতিপত্র (আইপি) নিয়েছেন পেঁয়াজ আমদানিকারকরা। এই সময়ের মধ্যে খালাস হয়েছে ১৭ হাজার ৫৯০ মেট্রিক টন। এর মধ্যে মিসর থেকে এসেছে ছয় হাজার ৫১১, চায়না থেকে তিন হাজার ৭১৯, মিয়ানমার থেকে এক হাজার ২২৮, তুরস্ক চার হাজার ৮৬৬, সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫৫৩, পাকিস্তান ৬২৯, শ্রীলঙ্কা ৮৪ মেট্রিক টন।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, পেঁয়াজের এমন সংকটের সময় সরকার জরুরি ভিত্তিতে পেঁয়াজ আমদানির জন্য এস আলম, সিটি গ্রুপ এবং মেঘনা গ্রুপকে আমদানির আহ্বান জানায়। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে গত ৮ ডিসেম্বর সিটি গ্রুপ এম হাসান ট্রেডিংয়ের নামে তুরস্ক থেকে দুই হাজার ৫০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসে। এরআগে ৫ ডিসেম্বর মেঘনা গ্রুপ তুরস্ক থেকে ১৩০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করে।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) সহসভাপতি মো. নাজের হোসাইন কালের কণ্ঠকে বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো কৌশলই বাজার স্থিতিশীলতার জন্য কাজে লাগেনি। ব্যবসায়ীরা আশ্বাস দেওয়ার পরও দেড় মাস হতে চলল কাঙ্ক্ষিত পেঁয়াজ তাঁরা আমদানি করেননি। তিনি বলেন, ভারতের একক বাজারের ওপর নির্ভরশীলতা আমাদের বেশি চাপে ফেলেছে। তবে এই মুহূর্তে দরকার ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করা যে তারা কোনো হয়রানির শিকার হবে না। পেঁয়াজ আমদানি করে লোকসানে পড়বে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা