kalerkantho

রবিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০২০। ৫ মাঘ ১৪২৬। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ভ্যাটের অপর নাম ভোক্তা কর

অরুণ কুমার বিশ্বাস
অতিরিক্ত কমিশনার, কাস্টমস ভ্যালুয়েশন ও নিরীক্ষা কমিশনারেট, ঢাকা

১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভ্যাটের অপর নাম ভোক্তা কর

যথাযথ ভ্যাট প্রদান নাগরিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। রাজকোষ সমৃদ্ধকরণ তথা দেশের সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে মূসক বা ভ্যাটের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসায়ীরা ভ্যাট দেন এটা যেমন সত্যি, তেমনি আপনি-আমি অর্থাৎ যাঁরা পণ্যের ভোক্তা তাঁরাও কিন্তু নিজের অজান্তে ভ্যাট দিয়ে থাকি। এ জন্যই ভ্যাটের অপর নাম ভোক্তা কর। ব্যবসায়ীরা সে ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষে ‘ভ্যাট সংগ্রাহক’ হিসেবে কাজ করেন।

ধরা যাক, আপনি খুশি মনে পাড়ার মোড়ের দোকান থেকে মিষ্টি কিনলেন। প্রচুর ভিড়, সেই অজুহাতে দোকানদার আপনাকে ভ্যাট চালান দিতে ভুলে গেলেন বা ভুলে যাওয়ার ভান করলেন। তিনি কিন্তু আপনার কাছ থেকে ভ্যাট ঠিকই নিয়ে নিয়েছেন, কিন্তু সরকারকে তা দিলেন না। ফলে আপনি এবং রাষ্ট্র দুপক্ষই প্রতারিত হলেন।

তাই ইএফডি মেশিনে প্রিন্ট করা মূসক চালান চেয়ে নেবেন। প্রিন্টকৃত চালানে সেই দোকানের নাম, ঠিকানা ও ভ্যাট নিবন্ধন নম্বর ছাপানো আছে কি না। না থাকলে বুঝতে হবে ওটা জাল বা নকল চালান।

দোকানদার যদি ইএফডি মেশিন ব্যবহার না করে, বা চালান প্রদান ব্যতিরেকে সেবা বিক্রি করে তাহলে কী ঘটবে? খুব সহজ উত্তর। চালান না দেওয়া মানে পণ্য বা সেবার উপর আরোপযোগ্য ভ্যাট ফাঁকি দেওয়া। কারণ ইএফডি মেশিনে কোনো পণ্য বিক্রির চালান প্রিন্ট করা মাত্র তা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল সার্ভারে হিট করবে। এনবিআর সাথে সাথেই জানতে পারছে কোন দোকানদার কখন কত টাকার সেবা বিক্রি করলেন।        

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা