kalerkantho

শনিবার । ২৫ জানুয়ারি ২০২০। ১১ মাঘ ১৪২৬। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

সমন্বয় সভায় অভিমত

চিংড়িশিল্প বাঁচাতে উৎপাদন বৃদ্ধির তাগিদ

খুলনা অফিস   

৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খুলনার চিংড়িশিল্পসংশ্লিষ্টরা বলেছেন, চিংড়িশিল্পকে বাঁচাতে হলে উৎপাদন বৃদ্ধির বিকল্প নেই। নানা সংকটে দিন দিন দেশের রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎস চিংড়িশিল্প ধ্বংস হতে চলেছে। হিমায়িত কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে প্রতিবেশী রাষ্ট্র নতুন প্রজাতির চিংড়ি চাষের মাধ্যমে বিদেশি বাজার দখল করে আছে। ২০১৩ সালে সেখানে ৪৬ হাজার মেট্রিক টন চিংড়ি রপ্তানি হয়েছে, চলতি বছরে তা ৩০ হাজার মেট্রিক টনের নিচে নেমে এসেছে।

গতকাল শনিবার সকালে নগরীর শ্রিম্প টাওয়ারে চিংড়ির উৎপাদন বৃদ্ধি ও উন্নততর বাণিজ্যিকীকরণ বিষয়ে সমন্বয় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। মৎস্য বিভাগ, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএফইএ) ও বেসরকারি সংস্থা সলিডারি নেটওয়ার্ক যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।

সভায় জানানো হয়, চলতি বছরে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে অধিক উৎপাদনশীল ‘ভেনামী’ জাতের চিংড়ি চাষ হচ্ছে। সফলতা পেলে আগামী বছর থেকে তা চাষিদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বক্তারা প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতিতে টিকে থাকতে বিকল্প প্রজাতির উদ্ভাবন ও চিংড়ি নিয়ে গভেষণার দাবি করেন।

ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী বেলায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সলিডারি নেটওয়ার্কের মঈন উদ্দিন আহমেদ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. রমজান আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সলিডারি নেটওয়ার্ক এশিয়ার কান্ট্রি ম্যানেজার সেলিম রেজা হাসান, মৎস্য বিভাগের সহকারী পরিচালক ড. মো. নাজমুল হাসান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা